ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

গণহত্যাকারীদের বিচারে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধোলাইখালে মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-৬ আসনের সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া ও কোতোয়ালি ওয়ার্ড বিএনপি এই সমাবেশের আয়োজন করে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) চালু আছে, চালু থাকবে। প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। ইনশাআল্লাহ, প্রত্যেক খুনির বিচার করা হবে।

তিনি বলেন, যারা এ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মানুষের বুকে গুলি চালিয়েছে, তাদের কোনো ক্ষমা নেই। প্রত্যেকের বিচার করা হবে। গত ১৭ বছরে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন এবং যারা বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। যে সরকার বিনা ভোটে দেশ পরিচালনা করেছে এবং গণতন্ত্রকে সিস্টেম্যাটিক্যালি হত্যা করেছে, তারা পৃথিবীর বুকে একটি লজ্জাজনক ইতিহাস রচনা করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর এ দেশের মানুষ সবচেয়ে বর্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। সেই বাহিনী ও ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশের মাটিতে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। পতিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত হয়ে নিয়মিত জুম মিটিং করছে এবং নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে। তারা বলছে, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসবেন। আমরা চাই তিনি দেশে ফিরুন এবং বিচারের মুখোমুখি হোন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাবর্তনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ভারত সরকার এখনো এর কোনো জবাব দেয়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও তার সহযোগীরা যে দেশে অবস্থান করছেন, সেই দেশের প্রতি তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে তাদের বিচার হয়েছে। প্রয়োজনে তারা আপিলের সুযোগ চাইলে সেই সুযোগ দেওয়া হবে এবং দেশে ফিরলে সুষ্ঠু ন্যায়বিচার সম্পন্ন করা হবে। সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস। এরই মধ্যে যারা সরকার পতনের এক দফার ঘোষণা দিচ্ছেন, তাদের বিষয়েও জনগণকে ভাবতে হবে। বিএনপি ও আন্দোলনের সহযোগীরা বসে বসে তাদের এসব কর্মকাণ্ড দেখবে, এমনটি ভাবার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপি দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে চায়, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চায় এবং সাংবিধানিক পরিবর্তন আনতে চায়, যাতে ভবিষ্যতে এ দেশে কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের উত্থান না ঘটে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু তারা সেখানে অংশ না নিয়ে রাস্তায় নেমেছে এবং লংমার্চ করেছে। তারা একবার উত্তরে, আবার দক্ষিণে লংমার্চ করেছে। সামনে পূর্ব ও পশ্চিমেও লংমার্চ করার কথা শোনা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সাধারণত সরকারের চার বছর পর তীব্র আন্দোলনের ঘোষণা দেখা যায়। কিন্তু সরকারের ছয়-সাত মাসের মধ্যেই কী এমন ব্যর্থতা দেখা গেলো যে সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চের ঘোষণা দিতে হলো, সে প্রশ্নও রয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সারা বিশ্বে জ্বালানি তেলের দাম কত বেড়েছে, সেটি বলা হচ্ছে না। বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় দ্বিগুণ, তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে।

তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বিএনপির নেতা তারেক রহমান এক মাস পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়াননি। পরে সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার এবং আন্তর্জাতিক দরের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সীমিত পরিমাণে দাম বাড়ানো হয়েছে। এরপরও দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। তবে গালফ ওয়ারের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশে কিছুটা দাম বাড়াতে হয়েছে। এতে জনগণের কিছুটা দুর্ভোগ হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে। এটি সরকারের প্রতিশ্রুতি। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যেভাবে ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে সংগ্রাম করেছে এবং রক্ত দিয়েছে, সেভাবেই ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আরও বক্তব্য দেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সাত্তার, সাইদুর রহমান মিন্টুসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পিস্তল নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায়, যে ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইনসংলগ্ন একটি মাদক আস্তানায় পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে পিস্তল হাতে যৌথ অভিযান চালানোর ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
পিস্তল নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানায়, যে ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক
‘দে লাড়া’ গ্রুপের নেতা পিচ্চি সানির পরিচয়
উত্তরার সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্যাংয়ের নাম ‘দে লাড়া’ গ্রুপ (পিচ্চি সানি)। এদের দৌরাত্ম্য উত্তরা থেকে শুরু করে উত্তর ও দক্ষিণখান হয়ে টঙ্গী পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রুপের শীর্ষ নেতা সাকিবুল হাসান সানি ওরফে পিচ্চি সানি। উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর থেকে টঙ্গী রেলস্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ রেলপথের দুপাশে রীতিমতো মাদকের হাট বসে। কোটি কোটি টাকার মাদক বেচাকেনা হয়। গাঁজা, ইয়াবা, আইস ও ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক বিক্রি হয় প্রকাশ্যে। মাদকের এই পুরো সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে ‘দে লাড়া’ গ্রুপের পিচ্চি সানি। ‘লোকালে (স্থানীয়) এমন কেউ নাই যে সানিরে চিনে না। রায়হান নামের আরেক কিশোর গ্যাং নেতা তার ডান হাত হিসেবে পরিচিত। গত ৯ অক্টোবর একগুচ্ছ শর্ত মানার পর এই গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য যুগান্তর টিমের সঙ্গে আলাপে এসব তথ্য দিয়েছে। দীর্ঘ আলাপচারিতায় গ্রুপের শীর্ষ নেতা সাকিবুল হাসান সানি ওরফে পিচ্চি সানি সম্পর্কেও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। এদিন তাদের কথামতো বিকাল ৪টায় উত্তরখান ৮ নম্বর সেক্টর এলাকাসংলগ্ন একটি মাঠে যান যুগান্তর টিমের সদস্য। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর এক নেতাসহ ৪ জন কিশোর এসে হাজির হয়। নাম-পরিচয় গোপন, কোনো ধরনের রেকর্ড না করার বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলার শর্ত প্রথমেই স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। উপস্থিত গ্রুপটির একজন সদস্য নিজের মোবাইল বের করে পিচ্চি সানির ফেসবুক পেজ খুলে বলে, দ্যাখেন- এখানে হ্যার সব পোলাপানের ছবি আছে। একটি ছবিতে নৌকা প্রতীক সংবলিত পরিচয়পত্র ঝুলিয়ে স্থানীয় কোনো ভোটকেন্দ্রের মাঠে সানিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তার সঙ্গে রয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।  আরেকটি ছবিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা এলাকার রাস্তায় লাঠিসোঁটা হাতে শোডাউন দিচ্ছে ‘দে লাড়া’ গ্রুপের সদস্যরা। এছাড়া ফেসবুকের কয়েকটি রিলসে গ্যাং সদস্যবেষ্টিত পিচ্চি সানিকে স্লো মোশনে হাঁটতে দেখা যায়। এ সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে কোনো হিন্দি সিনেমার ভিলেনের দুর্ধর্ষ সংলাপ। পিচ্চি সানি ছাত্রলীগ না ছাত্রদল এমন প্রশ্ন করা হলে তারা বলে, আগে তার উত্তর ছাত্রলীগের পদ ছিল। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে সে নিজেকে সরকারি দলের নেতা হিসাবে পরিচয় দেয়। অবশ্য ছাত্রদল কিংবা অন্য কোনো সংগঠনে তার কোনো পদ-পদবি আছে কি না তা আমাদের জানা নেই। তবে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রীতিমতো শোডাউন দিয়ে সে এলাকায় ঢুকেছে। আরটিভি/এসআর
‘দে লাড়া’ গ্রুপের নেতা পিচ্চি সানির পরিচয়
ঢাকায় পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীর শান্তিনগর পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
এবার ফিল্মি স্টাইলে মাদকের আস্তানায় ইশরাকের হানা
স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন নিজেই তার ফেসবুক পেজে এই অভিযানের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। 
এবার ফিল্মি স্টাইলে মাদকের আস্তানায় ইশরাকের হানা
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তি কমাতে নতুন ব্যবস্থা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।  বিমানবন্দরের আটটি লাগেজ বেল্ট এলাকায় ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ৬৫ ইঞ্চি আকারের ১৮টি মনিটর স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উড়োজাহাজ থেকে লাগেজ নামানো থেকে শুরু করে বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে পারবেন যাত্রীরা। নতুন ব্যবস্থায় স্থাপিত মনিটরে লাগেজ নামানো, নির্ধারিত স্থানে পরিবহন, বাছাই এবং লাগেজ বেল্টে পৌঁছানোর দৃশ্য সরাসরি (লাইভ) দেখানো হবে। ফলে লাগেজ সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করার সময় সেটির গতিবিধি সম্পর্কে ধারণা পাবেন যাত্রীরা। বেবিচকের এ উদ্যোগের লক্ষ্য লাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ করা। একই সঙ্গে লাগেজ পরিবহনের বিভিন্ন ধাপ যাত্রীদের সামনে দৃশ্যমান হওয়ায় এ কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের অনিশ্চয়তা কমবে। বিশেষ করে প্রবাসীসহ দেশি-বিদেশি যাত্রীরা যাতে ভ্রমণ শেষে নির্বিঘ্নে ও নিশ্চিন্তে নিজেদের লাগেজ সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব সেবার সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেবার মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তি কমাতে নতুন ব্যবস্থা
আরও পড়ুন
সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ, ছুটি ও আনন্দ-উৎসবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে আন্তরিক: ডেপুটি স্পিকার 
বিরোধী দলকে নিয়েই সংবিধান সংশোধন চাই: সালাহউদ্দিন আহমদ
জাতীয় তথ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ৯০ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তে গুরুত্বারোপ