ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকায় ফার্মেসি দোকানদারকে কুপিয়ে জখম, ভিডিও ভাইরাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ঢাকার পল্লবীতে একটি ফার্মেসির দোকানদারকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ফার্মেসিতে থাকা একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে পুলিশ বলছে, মিরপুরের দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।

জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পল্লবীর ২২তলা গার্মেন্টসের পেছনে একটি ফার্মেসিতে এ ঘটনা ঘটল।তবে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি প্রকাশ পায়।

ভাইরাল প্রায় দুই মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা তিন যুবক এক ব্যক্তির টি-শার্টের কলার ধরে মারধর করছেন। তাদের একজন একটি রামদা দিয়ে তাকে কোপাচ্ছেন এবং আরেকজন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে তাকে হুমকি দিচ্ছেন। অপর যুবক দোকান থেকে ব্যাগে করে কিছু একটা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ সময় আরও একটি তরবারি ভিডিওতে দেখা যায়। তবে সেটি কার হাতে ছিল, সেটা দেখা যায়নি। পরে আরও এক যুবক এসে দোকান থেকে কিছু একটা নিয়ে চলে যান।

ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কিছু করব না, আমি কিছু করব না বাবা।’

প্রায় ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ওই দোকানদারকে কুপিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত হাত চেপে ধরে থাকতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির বলেন, ঘটনাটি ৩০ সেপ্টেম্বর ঘটেছে। আমরা আজকেই জানতে পারলাম। এরপর ওই দোকানদারের সঙ্গে ফোনে আমি কথা বলেছি।

তিনি আরও বলেন, গ্রুপিংয়ের ঝামেলা থেকে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। মিরপুরের সন্ত্রাসী মশিউর গ্রুপের লোকজন ওই দোকানদারের ফার্মেসিতে হামলা চালিয়েছে। ওই দোকানদার আশিক গ্রুপকে সহযোগিতা করে এবং তথ্য দেয়। তাই তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় কোনো অভিযোগ দেননি জানিয়ে ওসি আরও বলেন, আমি তাকে থানায় আসতে বলেছি। কিন্তু তিনি মামলা করতে আগ্রহ দেখাননি। তারপরও আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর 
ঢাকায় সরকারি বাসা নিয়ে যে চাকরিজীবীরা থাকছেন, তাদের উদ্দেশে কড়া এক হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর 
দক্ষিণখান থেকে উত্তরা পূর্ব থানা ছাত্রদল সভাপতি সাজ্জাদ গ্রেপ্তার
রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকায় জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উত্তরা পূর্ব থানা ছাত্রদলের সভাপতি এম সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  
দক্ষিণখান থেকে উত্তরা পূর্ব থানা ছাত্রদল সভাপতি সাজ্জাদ গ্রেপ্তার
২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৬৬২ জন ধরা
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৬৬২ জন ধরা
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাসা বা হোটেলে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা। এভাবে একের পর এক ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) ও সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। পুলিশের ভাষ্য, জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান চক্রটির মূল হোতা। প্রীতম তার ভাগিনা এবং সাবরিন তার ভাগিনার স্ত্রী। ডিবি প্রধান জানান, চার ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটিকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। চক্রের সদস্যরা ঘনঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন, তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি টর্চার বেল্ট উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান বলেন, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করা হতো। পরে কৌশলে তাদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে আসতে প্রলুব্ধ করা হতো। ভুক্তভোগীরা সেখানে গেলে চক্রের পুরুষ সদস্যরা তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখাতেন এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ সময় নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা ভুক্তভোগীদের আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন চক্রের সদস্যরা। তিনি আরও জানান, একবার টাকা আদায়ের পরও চক্রটি থেমে থাকত না। ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আরও টাকা আদায় করা হতো। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি। আরটিভি/এসআর
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
আরও পড়ুন
ডিমের আশায় মাছ কাটতেই বের হলো লোহার টুকরা
ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর 
ঢাকাসহ সারাদেশে র‍্যালির ঘোষণা বিএনপির
২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৬৬২ জন ধরা