ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ঢাকার ৮ জোনে চলবে ভিন্ন রঙের অটোরিকশা’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় অটোরিকশা ও ই-বাইক চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে আটটি জোনে ভাগ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশনের চারটি করে মোট আটটি জোনে অটোরিকশা ও ই-বাইকের জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে।

একই সঙ্গে প্রতিটি জোনে এসব যানবাহনের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে নতুন করে কোনো রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।

রাজধানীতে ৮ জোনে চলবে ভিন্ন রঙের অটোরিকশা: ডিএনসিসি প্রশাসক

সরকার ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকাকে আটটি জোনে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, এর মধ্যে উত্তরে চারটি এবং দক্ষিণে চারটি জোন থাকবে।

চারটি জোনে অটোরিকশা ও ই-বাইক পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি বিধি ও নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি জোনের অটোরিকশার জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। যেমন, একটি জোনে সবুজ রঙের রিকশা থাকবে, অন্য জোনে থাকবে কমলা রঙের। এভাবে চারটি জোনে ভিন্ন ভিন্ন রং ব্যবহার করা হবে। এতে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে গিয়ে চলাচল করতে পারবে না।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে একটি অটোরিকশা নিয়ে রাজধানী থেকে কুমিল্লা, দিনাজপুর কিংবা জয়পুরহাট পর্যন্ত চলে যাওয়া সম্ভব। এ কারণেই অটোরিকশা চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা বর্তমানে অটোরিকশা চালাচ্ছেন, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তারা যাতে গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে রাজধানীতে যানজট সৃষ্টি করে মানুষের চলাচলে বাধা তৈরি করতে না পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অটোরিকশাচালকদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীও ছিলেন। ফলে এটি শুধু অটোরিকশাচালকদের আন্দোলন, নাকি সরকারকে চাপ দেওয়ার জন্য কোনো মহলের চেষ্টা, সেটিও বিবেচনার বিষয়।

তিনি বলেন, এই সরকার জনগণের ভোট নিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। সরকারের প্রধান শক্তি জনগণ। অতএব কোনো ধরনের অরাজকতা বা অপশক্তিকে আমরা মোকাবিলা করব এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার প্রতিবাদ করব।

অটোরিকশা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, জোনভিত্তিক চাহিদার তালিকা করা হবে। সেই চাহিদা অনুযায়ী অটোরিকশার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি জোনের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যা থাকবে এবং সেই সংখ্যার বাইরে নতুন করে কেউ নিবন্ধনের সুযোগ পাবে না।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মহাখালী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 
মহাখালী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা এসি বাসে আগুন
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য রাজধানীর আগারগাঁও, মিরপুর, শ্যামলী ও কল্যাণপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ) টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম দেখলেই ছুটে যেতেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি কিংবা বিমানবন্দরের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই যাত্রীদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পাশাপাশি অনেকে তাকে ডাকতেন ‘ফাটাকেষ্ট’ নামে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানকে আগের মতো দেখা না যাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে নানা গুঞ্জন। ফেসবুক ও ইউটিউবে তার বদলির খবরও ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখন কোথায়? তবে এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের এক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তিনি বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করছিলেন।  ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন নওশাদ খান। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে তার অভিযান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমাতেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বডি-ক্যামেরার আওতায় আনা, গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট জোনে সিসিটিভি স্থাপন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষণের মতো উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। এসব কারণে বিমানবন্দরে কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই আলোচনায় আসত নওশাদ খানের নাম। তার তৎপরতায় অনেক যাত্রী ও প্রবাসীর মধ্যে আস্থাও তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। দীর্ঘ অপেক্ষা, লাগেজ পেতে বিলম্ব, ট্রলির সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। সম্প্রতি মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে উত্তেজনার ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও নিরাপত্তাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানগুলোর ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়? কেউ কেউ তাকে আবারও সক্রিয়ভাবে বিমানবন্দরের অনিয়ম তদারকিতে দেখতে চেয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। তবে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে কোথায় কী দায়িত্বে আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম। এসব খবর অনলাইনে দেখছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে আগের মতো দেখা না যাওয়ার কারণও জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেন, ‘আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি। বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছু আসলে শোনা যায়। কিন্তু আমাদের কাছে নির্দিষ্ট করে কেউ কোনো অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। সাধারণ মানুষকে বলব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে। তাহলে প্রতিকার পাবেনই। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। আরটিভি/এসকে
‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
রাজধানীর রূপনগর থেকে অপহৃত ছয় বছরের শিশু বায়জিদকে ১৮ দিন পর জীবিত উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৪। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের বালক শাখা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসআরবি-৪ জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় অপহরণকারীরা। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় তারা। স্থানীয় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে গাজীপুরের একটি শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানেই এতদিন অবস্থান করছিল বায়জিদ। এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রূপনগর থানার দুয়ারীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে শিশু বায়জিদ অপহৃত হয়। বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিশুটিকে উদ্ধারে ছায়াতদন্ত শুরু করে এসআরবি-৪-এর একটি দল। তদন্তের শুরুতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, অপহরণের পর শিশুটিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্কয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিকের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ওই ক্লিনিকের সিসিটিভি ফুটেজে লিপি ও নাসরিনকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তাদের গতিবিধির আর কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এসআরবি জানতে পারে, বায়জিদের বাবা রফিকুল ইসলামের পাশের বাসার ভাড়াটিয়া কুলসুমের মেয়ে নাসরিন কয়েক দিন ধরে ওই বাসায় অবস্থান করছিল। প্রাথমিক তদন্তে নাসরিনের একটি শিশু চুরি চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে লিপির সঙ্গে মিলে শিশুটিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাজীপুরে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসআরবি জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও তদন্তের মাধ্যমে বায়জিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর বায়জিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাসরিন ও লিপি তাকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করেছিল। তবে কোথাও তাকে বিক্রি করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে দিয়ে যায়। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বায়জিদের বাবা রিকশাচালক এবং মা বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে তার মা বায়জিদ ও তার বাবাকে বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে কাজে বেরিয়ে যান। পরে দুপুরে ঘুম থেকে উঠে বাবা দেখতে পান, বায়জিদ বাসায় নেই। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে রূপনগর থানায় মামলা করেন তিনি। শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের মানসিক চিকিৎসক ইসমত আরা মিতা জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের বাসন থানা থেকে বায়জিদকে তাদের কেন্দ্রে দিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, আগের রাতে শিশুটিকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়। এদিকে বায়জিদকে উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৪। আরটিভি/এসকে  
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
নভেম্বর ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার
ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য নিবন্ধন চলছে