ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

বদলে যাচ্ছে জিয়া উদ্যান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বদলে যাচ্ছে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যান। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধ এলাকায় দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বেশ কিছু নতুনত্ব আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সেখানে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একাধিক পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণ করা হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য গভীর নলকূপ এবং পাইপলাইন বসছে উদ্যান ও সমাধিস্থলে। উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের বিদ্যমান অকেজো ফোয়ারা পাচ্ছে নতুন রূপ। পুকুরপাড় জুড়ে বসছে নতুন ওয়াকওয়ে। লেকের গাইড ওয়াল, ব্রিজের স্টিল ফ্রেম এপোক্সি রঙ করার কাজও চলমান। অডিটরিয়াম ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারকাজও চলছে দ্রুতগতিতে। সমাধির মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণসহ তৎসংলগ্ন উদ্যান ও প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সংস্কারকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে এ যজ্ঞ। কাজ শেষে আবারও ঝলমলে হয়ে উঠবে পুরো জিয়া উদ্যান এলাকা।

১৯৮১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে চন্দ্রিমা উদ্যানে (তৎকালীন শেরেবাংলা নগর এলাকা) সমাহিত করা হয়। ১৯৯২ সালে জিয়া উদ্যান নামকরণ করা হয় এটিকে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এসে ওই বছরের ২৪ অক্টোবর নাম আবার চন্দ্রিমা উদ্যান রাখে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে পার্কটির নাম আবার জিয়া উদ্যান রাখে। ২০০২ সালে সেখানে মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বিএনপির সরকার। পরে লেক, ফোয়ারা তৈরিসহ এ কমপ্লেক্সের সৌন্দর্যবর্ধন করে বিএনপি। ২০১০ সালের ৩ মার্চ তখনকার আওয়ামী লীগ সরকার আবার জিয়া উদ্যানের নাম বদলে চন্দ্রিমা উদ্যান করে। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই উদ্যান এলাকাটি ছিল চরম অযত্ন আর অবহেলিত। চব্বিশের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে উদ্যানটির নাম চন্দ্রিমা থেকে বদলে যেমন জিয়া উদ্যান হয়েছে, তেমনি গণপূর্ত অধিদপ্তরের সুনজরও পড়েছে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এখানে সমাহিত করার পর এই উদ্যানের গুরুত্ব বেড়েছে আরও কয়েকগুণ।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সমাধিসৌধের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পাদনের জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় জিয়া উদ্যান ও সমাধিস্থল এলাকাকে কেন্দ্র করে প্রায় ১৫ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৪ টাকা ব্যয়ে ২১টি পৃথক ক্যাটাগরিতে এ সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে যুক্ত কার্যবিবরণী ও প্রকল্পের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৩ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১৮৮ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগারের সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল কাজ এবং ফার্নিচার কেনা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সংস্কার, ফ্লোরের মার্বেল পলিশ, উইং ওয়ালের গ্র্যানাইট, ক্যালিগ্রাফি প্রতিস্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ২ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ৯১০ টাকা বাজেট নির্ধারণ করে কাজ চলছে।

উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের বিদ্যমান অকেজো ফোয়ারা সংস্কারের কাজে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫০ টাকা বরাদ্দ ধরে কাজ এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি লেকের গাইড ওয়াল মেরামত, ফ্লাশ পায়েন্টিং, নিচের তলার সলিং মেরামতকরণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ টাকা। ক্রিসেন্ট লেকের ওপর বিদ্যমান সেতুর ওয়ালে ওয়াটার পেপিলেন্ট ভাঙা মার্বেল নবায়ন, স্টিল ফ্রেমে রঙ করাসহ আনুষঙ্গিক সংস্কারে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৪০৬ টাকা। এ ছাড়া ক্রিসেন্ট লেকের দক্ষিণ পাশে ফুটপাতে (সি রোড) ইটের গাঁথুনি দিয়ে বেষ্টনী নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

জিয়া উদ্যানের অভ্যন্তরে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯ হাজার ৪৮৩ টাকা ব্যয়ে ১৫০ মিমি ও ২৫০ মিমি ব্যাসের দুটি গভীর নলকূপ স্থাপন (সিংকিসহ), ৩৮ মিমি ব্যাসের টেস্ট ও অবজারভেশন ওয়েল নির্মাণ এবং ২০ এইচপি সাবমার্সিবল পাম্প মোটর সেট সরবরাহ ও স্থাপন এবং বহিঃস্থ পানি সরবরাহ পাইপলাইন তৈরি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জিয়া উদ্যানের পূর্ব কোণে মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫ টাকা ব্যয়ে এবং উদ্যানের পশ্চিম পাশে পাম্পহাউজ-সংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৪ টাকা ব্যয়ে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণকাজ চলছে।

৭৫ লাখ ৩ হাজার ৩৫০ টাকা ব্যয়ে মসজিদ থেকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে উদ্যানের উত্তর পাশে। ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ১১৯ টাকা ব্যয়ে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্টেজ লাইট ও সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ এবং ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে অডিটরিয়ামে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন কাজ চলমান।

২৬ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৩ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে ১০০ কেভিএ ইমার্জেন্সি জেনারেটর সরবরাহ ও আনুষঙ্গিক কাজ করা হচ্ছে। সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদ, অডিটরিয়াম, জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ, পাঠাগারসহ অন্যান্য স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৭ হাজার ১৬৮ টাকা ব্যয়ে।

জিয়া উদ্যান মেমোরিয়াল হলের ফার্নিচার ক্রয় ও স্থাপন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৬ টাকা। সমাধিস্থলে অবস্থিত ৪০০ কেভিএ সাবস্টেশন মেরামত কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।

মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স ভবনের টয়লেট ব্লকগুলোর টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস নবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৪৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১ টাকা। ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৭ টাকা বাজেটে উদ্যানের ভেতরে পুকুরপাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

৩৫ লাখ ৫২১ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্ট্রিট টাইপ এসি সরবরাহ ও স্থাপনকাজ চলমান। উদ্যানের আরবি কালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং উন্নয়ন কাজে ২১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৭ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদের প্রয়োজনীয় সিভিল ও বৈদ্যুতিক কাজে ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকার দরপত্র প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জিয়া উদ্যান ও সমাধি প্রাঙ্গণকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া উদ্যান এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলের পুনঃসংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। উদ্যানে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সেখানে নানা কিছু যোগ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব কাজের বড় অংশগুলো শেষ হবে।’

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ, কেন গ্রেপ্তার হলেন
অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
কে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ, কেন গ্রেপ্তার হলেন
মিরপুরে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ  
রাজধানীর মিরপুর সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে তারা মিরপুর ১০, ১২ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে। 
মিরপুরে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ  
৯৯৯-এর কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, গাড়িচালককে কুপিয়ে জখম
রাজধানীর হাজারীবাগে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশের টহল দলের ওপর হামলা, সরকারি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর ও গাড়িচালককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে হাজারীবাগ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. বিল্লাল হোসেন সানি (২০), আফসানা আক্তার রিয়া (২৪), ফাতেমা আক্তার সনিয়া (৩৭), মো. রুবেল মাজি ওরফে রড রুবেল (৩০) এবং মাইদুল ইসলাম তামিম (২০)।  হাজারীবাগ থানা পু‌লি‌শের বরাত দি‌য়ে ডিএম‌পির মি‌ডিয়া শাখার ডি‌সি মো. আকতার হো‌সেন ব‌লেন, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ২৫ মিনিটে ৯৯৯ নম্বরে চর ওয়াশপুর এলাকার একটি বাড়ির ছাদে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ পেয়ে হাজারীবাগ থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়।   পুলিশ অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানকালে অতর্কিতভাবে তা‌দের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা ধারালো চাপাতি দিয়ে টহল দলের গাড়িচালক কনস্টেবলের ডান হাতের কবজি ও ডান কাঁধে গুরুতর আঘাত করে এবং সরকারি পিকআপ ভ্যানের গ্লাস ও বডি ভাঙচুর করে।  প‌রে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।   এ ঘটনায় হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে হাজারীবাগ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসআর
৯৯৯-এর কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ, গাড়িচালককে কুপিয়ে জখম
ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মশাল মিছিল, জানে না পুলিশ
ঢাকার কল্যাণপুরে মশাল মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিরপুর রোডের দারুস সালাম এলাকা থেকে শুরু হয়ে শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এসে শেষ হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক সদস্য মশাল হাতে মিছিলে অংশ নিয়েছেন। জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব ও সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের নির্দেশনায় মিছিলটি বের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে তেজগাঁও বিভাগের সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) মো. ফজলুল হক জানান, সন্ধ্যার দিকে দারুসসালাম থানা এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি মশাল মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি সেটি শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় এসে শেষ হয়। তবে, দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন তার এলাকায় মিছিলের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। আরটিভি/টিআর
ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মশাল মিছিল, জানে না পুলিশ
সায়েন্সল্যাবে ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকার নিউমার্কেট থানার সায়েন্সল্যাবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব। তিনি জানান, রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলে এসে একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ সায়েন্সল্যাব এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি আরও জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ আহত হননি। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চালানো হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
সায়েন্সল্যাবে ককটেল বিস্ফোরণ
আরও পড়ুন
কে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ, কেন গ্রেপ্তার হলেন
মিরপুরে সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ  
ঢাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মশাল মিছিল, জানে না পুলিশ
সায়েন্সল্যাবে ককটেল বিস্ফোরণ