ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আকরাম ও মিতু হত্যা একইসূত্রে গাঁথা’

আরটিভি অনলাইন, চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০১৭, ০৭:৩৪ পিএম

এস আই আকরাম হত্যার সঙ্গে আলোচিত সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা একইসূত্রে গাঁথা। বললেন আকরাম হোসেনের বোন জান্নাত আরা পারভীন রিনি।

বুধবার সকাল পৌনে ১১টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) ও মিতু হত্যার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের কার্যালয়ে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।

পারভীন বলেন, আকরাম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিতু হত্যাকাণ্ড ‘একসূত্রে গাঁথা’। এসব হত্যা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। আমরা মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারীরে হত্যা ব্যাপারের অভিযোগ ও তথ্য দিতে এসেছে।

রিনি আরো বলেন, আকরামের বোন বর্ণির সঙ্গে বাবুল আক্তারের পরকীয়ার সর্ম্পক ছিল তাই আগে আমার ভাই এসআই আকরাম হোসেন ও পরে মিতুকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থাকা কালে বাবুল আক্তার ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের প্রভাব কাটিয়ে তাদেরকে আতঙ্কে রাখছিলেন, কাউকে মুখ খুলতে দেননি ।

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, আকরামের বোনের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে আকরামের স্ত্রী বনানী বিনতে বসির বর্ণিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এ সময় মিতু হত্যা মামলার যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গেলো দুই বছর আগে ‘দুর্ঘটনায়’ নিহত এসআই আকরাম হোসনকে ‘পরকীয়ার’ জন্য সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের ‘পরিকল্পনায়’ হত্যা করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।


জেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
মেহেরপুর সদর উপজেলায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজাপুর গ্রামে চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ওয়াহেদ আলী। সে ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।   মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরটিভি অনলাইনকে জানান, সকালে হরিরামপুর গ্রামের নানাবাড়ি থেকে মাছ নিয়ে একটি সাইকেল করে বাড়ি আসছিল ওয়াহেদ। পথে রাজাপুর গ্রামের চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এলে মাটি বহনকারী ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ট্রলি ফেলে পালিয়ে যায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করে। ট্রাক্টর চালককে আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান  ওসি। জেবি/এসএস
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয়েছেন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া। শনিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চৌধুরীবাড়ী কলাবাগ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার দায়ে অভিযুক্ত প্রেমিক ইকবালকে পুলিশ আটক করেছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নিহত তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। নিহতের পরিবার আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৫ সালে পুরানবন্দর এলাকার তাজুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বিয়ে হয় কলাবাগ এলাকার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী নূর হোসেনের। তাদের দুইটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে। দেড় বছর আগে নূর হোসেনের বাড়ির নির্মাণ কাজের সময় তানিয়ার সঙ্গে টাইলস মিস্ত্রী ইকবাল মিয়ার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক হয়। ইকবাল মিয়ার স্ত্রী জর্ডান প্রবাসী। দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে তিনি একই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ইকবাল মিয়া তানিয়াকে জিম্মি করে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা আদায় করে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও বিষয়টি জানতো। শনিবার রাতে ইকবাল মোবাইল ফোনে তানিয়ার কাছে টাকা চায়। তানিয়া টাকা নেই বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবাল রাত দুইটার দিকে তানিয়ার বাসায় ঢুকে তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।   এসময় তানিয়ার গোঙানির শব্দে তার মেয়ে নুসরাত জেগে উঠে ইকবালকে পালিয়ে যেতে দেখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এদিকে রাতেই পুলিশ ঘাতক ইকবাল মিয়াকে তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ আটক করে। বন্দর থানার ওসি মো. আবুল কালাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, আটককৃত ইকবালের কাছ থেকে তানিয়ার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ইকবালের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। জেবি/এসএস
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
পদ্মা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা থেকে এক পরিবহন সুপারভাইজারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল সাড়ে দশটার দিকে পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুনের পাশের একটি চর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম মকবুল হোসেন (৩৭)। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার লালপুর এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং সোহাগ পরিবহনের সুপারভাইজার। গেলো বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের চার নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় সোহাগ পরিবহন থেকে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গেলো বুধবার দুপুরে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। চারদিন নিখোঁজ থাকার পর রোববার সকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেবি/এসএস
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
রংপুরের পীরগাছায় যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার দিনগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সাগরী খাতুন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাহাঙ্গীর আলম আরটিভি অনলাইনকে জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে সাগরী খাতুনের সঙ্গে পীরগাছা উপজেলার কান্দি কাবিলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দেড় লাখ টাকা যৌতুক দেন আমিনুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, সম্প্রতি ব্যবসা করার বাহানা করে স্ত্রী সাগরী ও শ্বশুরকে আরো এক লাখ টাকা যৌতুক দেয়ার জন্য চাপ দেয় রফিকুল। টাকা দিতে অস্বীকার করলে শনিবার রাতের কোনো এক সময় স্বামী রফিকুল ও তার পরিবারের লোকজন সাগরীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়।  রোববার সকালে নিহতের বাবা এ ঘটনায় পীরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। জেবি/এসএস
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন
সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের জয়নাড়ি বেপারীপাড়া এলাকায় আটি সুইং থ্রেড নামে একটি সুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।  রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে কারখানার পাঁচ শ্রমিক আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। জানা যায়, দুপুর একটার দিকে ওই কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন কারখানার অন্যত্রে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাভার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার লিটন আহমেদ জানান, কীভাবে কারখানায় আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এসএস 
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন