
পদ্মা সেতুর শেষ ৪১ তম স্প্যান (২-এফ) বসানোর মধ্য দিয়ে সেতুর দু'পাড়ের সংযোগে পদ্মা সেতুর পুরো কাঠামোর ৬.১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হওয়ায় পদ্মা পাড়ের মানুষ আনন্দে উল্লাস করছে। পদ্মার পাড়ে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ বিজয় মাসে পদ্মার বিজয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেন। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
এদিকে, পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দুই পাড়ের ঐতিহাসিক সংযোগ স্থাপন হলো তাতে সেতুর কাজে নিয়োজিত প্রকৌশলীদের মধ্যেও আনন্দ বিরাজ করছে। পদ্মা সেতুতে প্রায় ১৮ টি দেশের বিভিন্ন কেটাগরির প্রকৌশলী ও প্রায় ৫ হাজারের মতো শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রম সফলভাবে শেষ স্প্যান বসানোর আনন্দ বিরাজ করছে তাদের মধ্যে।
পদ্মা সেতুর প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির আরটিভি নিউজকে জানান, আমরা খুবই আনন্দিত যে শুরু থেকে আজ স্প্যান বসানোর শেষ দিন পর্যন্ত থাকতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। এই সেতুতে কাজ করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে।
এদিকে, আজ বিকেলে শিমুলিয়া ঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে পদ্মা সেতু ঘুরে এসে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সমগ্র দেশবাসী এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করছিলো। আজকে সর্বশেষ স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে সেই অপেক্ষার পালা শেষ হয়ে গেল। সমগ্র দেশবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। যে তিনি সকল স্বরযন্ত্রকে মোকাবেলা করে পদ্মা সেতু আজকে সম্পূর্ণভাবে দৃশ্যমান করে দিলো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আলোকবর্তীকা। তার আলোতে বাংলাদেশ আজকে আলোকিত হলো। আজকে এই স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে সমগ্র পৃথিবীর আমাদের যে গর্ব ও মর্যাদার জায়গায় নিয়ে গেছে এর পুরো কৃতিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
জেবি




