
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে মাদরাসা ছাত্র হাসিব শেখকে (১০) ওই মাদ্রাসার বাবুর্চি সিদ্দিকুর রহমান হাওলাদার হত্যা করেছেন।
গভীর রাতে শব্দ করে বাথরুমের দরজা খোলার অপরাধে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাসিব সেখকে হত্যা করেন বলে বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সমির মল্লিকের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তিনি।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মোরেলগঞ্জের নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রহমাতিয়া শিশু সদনের নজরানা বিভাগের ছাত্র হাসিব সেখ ৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে সবার সাথে মাদ্রাসার মধ্যে ঘুমাচ্ছিল। গভীর রাতে সে উঠে বাথরুমে যাওয়ার জন্য দরজা খোলে। দরজা খোলার শব্দে ঘুম ভেঙে যায় বাবুর্চির। এতে বাবুর্চি ক্ষিপ্ত হয়ে হাসিবকে সজোরে গালে চড় দেয়। এসময় সে লুটিয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাসিবুল মারা গেলে তাকে মাদ্রাসার পাশে পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রেখে আসেন তিনি।
গত ৬ ডিসেম্বর সকালে মোরেলগঞ্জের নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন রহমাতিয়া শিশু সদনের পিছন থেকে ওই মাদ্রাসার নজরানা বিভাগের ছাত্র হাসিব সেখের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন রাতে নিহত শিশু হাসিবের মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ৭ ডিসেম্বর দুপুরে শিক্ষক হাফিজুর রহমান ফারুক ও বাবুর্চি সিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে ৮ ডিসেম্বর দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ৯ ডিসেম্বর দুপুরে বাগেরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সমির মল্লিক ওই দুইজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জিএম/জিএ




