
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইয়াবা দিয়ে এক ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগে মডেল থানার এস.আই মো.সাইফুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো.সাইফুলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাদের থানা থেকে প্রত্যাহার করে এসপি অফিসে সংযুক্ত করেন।
গেলো রোববার জামালপুর এলাকার জাফর নামে এক গাড়ি ব্যবসায়ী গাড়ি ক্রয় করতে সীতাকুÐ এলাকায় আসেন। কিন্তু গাড়ি বিক্রেতার সঙ্গে ক্রেতা জাফরের গাড়ি বিক্রয় হয়ে না উঠায় উনি ঢাকার দিকে চলে যাওয়ার জন্য পৌরসদর বাস স্ট্যান্ড যায়। সেখানে পুলিশের সোর্স মারফতে গাড়ি ক্রেতা ব্যবসায়ী জাফরকে সীতাকুণ্ড থানার এস.আই সাইফুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো.সাইফুল ইয়াবা আছে বলে দেহ তল্লাশি করে।
দেহ তল্লাশিকালে কোনও রকম ইয়াবা না পেয়েও ফাঁসানোর চেষ্টা করেন এবং ব্যবসায়ীর সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে ফেলেন। পরে ব্যবসায়ী বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলা এসপি অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি এসপি অফিস সীতাকুণ্ড থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল করিমকে তদন্ত করে দ্রুত সময়ে রিপোর্ট পেশ করতে বলেন। তদন্ত রিপোর্টে অভিযুক্ত দুই পুলিশের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এরপর অভিযুক্ত দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ব্যবসায়ী জাফর। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত দুইজনকে প্রত্যাহার করেন।
এ বিষয়ে জানতে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন মোল্লা ও ওসি তদন্ত সুমন বণিক ফোন রিসিভ না করেনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীতাকুণ্ড সার্কেল আশরাফূল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে এস.আই সাইফুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো.সাইফুল অভিযুক্ত প্রমাণিত হওয়ায় দু’জনকে আমরা মামলা পরবর্তী প্রত্যাহার করেছি।
জেবি




