
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আপন দুই মেয়েকে হত্যার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষণের মামলায় বাবা দবির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২ ও পুলিশের একটি যৌথদল।
বুধবার (১৮ আগস্ট) সলঙ্গা থানার দবিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দবির উদ্দিন (৪৫) উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের চর-হামকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ধর্ষিতা দুই মেয়ের আপন বাবা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাড়াশ থানার উপ-পরিদর্শক (এস. আই) আব্দুস সালাম ও ভুক্তভোগীর মা জানান, গত সোমবার তিনি (মা) গ্রামের মাঠে কাজ করতে গেলে দবির উদ্দিন তার ছোট মেয়েকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তাই নয় দীর্ঘদিন যাবত তার দুই মেয়েকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিল। স্কুল পড়ুয়া ছোট মেয়ে ধর্ষণের সব ঘটনা বড়বোনকে মোবাইলে জানায়। পরে বড়বোন বাড়িতে এসে তার ও ছোট বোনকে ধর্ষণের ঘটনা বলে দেয়।
ভুক্তভোগীর মা আরও জানান, আমি দিন মজুরের কাজ করতে গেলে বা কোনো কারণে বাড়িতে না থাকলে তার স্বামী তার দুই মেয়ের সাথে এসব করতেন, আমি জানতাম না। মেয়েরা কখনও আমাকে জানায়নি। পরবর্তীতে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হয়। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষিতাদের মা তাড়াশ থানায় বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে দুই মেয়েকে ধর্ষণের মামলা করেন। বুধবার সকালে র্যাব-১২ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ধর্ষক বাবা দবির উদ্দিনকে সলঙ্গা থানার দবিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত দবির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুই মেয়েকে ধর্ষণের কথা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
এসজে/




