
কক্সবাজারের রামুতে লোকালয়ে চলে আসা এক মা হাতিকে শর্ট সার্কিটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। একই সঙ্গে মৃত হাতির শরীর থেকে মাথা ও পা বিচ্ছিন্ন করে তিন টুকরো করে ফেলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রণয় চাকমা।
তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধোয়াপালং এলাকায় ধানক্ষেতে চলে আসে একটি মা হাতি। সেখানে স্থানীয় মানুষের শর্ট সার্কিটের ফাঁদে পড়ে হাতিটির মৃত্যু হয়। এরপর কিছু দুর্বৃত্ত শরীর থেকে হাতির মাথা ও পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। তাদের ধরতে অভিযান চলছে। এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানান ইউএনও।
হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মিজানুল ইসলাম আরটিভি নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। নজির আহমেদ নামে একজনকে প্রাথমিকভাবে আটক করেছি। বনবিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির আরটিভি নিউজকে জানান, ধোয়াপালং রেঞ্জের খুনিয়াপালং বিটের গাইনপাড়া নামক জায়গায় গেল রাতে ব্যক্তি মালিকানাধীন ধানক্ষেতে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট দিয়ে একটি ২৫ বছর বয়সী বন্যহাতি হত্যা করে ধানক্ষেতে মাটি চাপা দেয়া হয়। তাৎক্ষণিকভাবে দুষ্কৃতিকারীদের প্রধান নজির আহমদকে আটক করা হয়েছে। তার সঙ্গে জড়িত ছেলে ও সহযোগীরা পলাতক আছে।
বন বিভাগের কর্মকর্তা আরও জানান, তাদের আটক করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। এ এলাকায় বন্যহাতি ও বন্যপ্রাণী হত্যা এবং মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে সচেতনতামূলক সভা এবং মাইকিং করা হয়েছে।
এসআর/




