
চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চেয়ারম্যান প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জব্দ করা হয়েছে তার রাইফেল ও গুলি।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একইদিন ভোরে উপজেলার বড় শলুয়া গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুক তিতুদহ (৫১) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।
জানা গেছে, ফারুকের দ্বিতীয় স্ত্রী নাফিয়া ইয়াসমিন পাশের এলাকার আরাফাত হোসেন সরণি বিদ্যাপীঠ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের মধ্যে কলহ হয়। পরে ফারুক স্ত্রীর কর্মস্থলে গিয়ে সেখানেও বাগ-বিতণ্ডা করেন। এরপর বাড়ি গিয়ে নিজের নামে লাইসেন্স করা রাইফেল নিয়ে এসে স্ত্রীর দিকে গুলি ছোড়েন। এ বিষয়ে ফারুক বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি ক্ষ্যাপা কুকুর মারার জন্য লাইসেন্স করা রাইফেল থেকে দুটি গুলি করেছি। বাংলাদেশের সংবিধান আছে, ক্ষ্যাপা কুকুর মারা যাবে। আমি এই এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। নির্বাচনের আগে প্রতিপক্ষরা আমার নামে কুৎসা রটানোর জন্য বিষয়টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল কবীর জানান, গুলি করে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার রাইফেল ও ১৩৪টি গুলি জব্দ করেছে পুলিশ। তার স্ত্রী এ বিষয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
জিএম/এসকে




