
পাবনায় চতুর্থ দফায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টিতে পরাজিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী। তবে আটঘরিয়া পৌরসভার নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম রতন বিজয়ী হয়েছেন।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
জানা গেছে, পাবনা সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী। সেখানে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের কেউ জেতেননি। তবে বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচয়ে আওয়ামী লীগের নেতা রয়েছেন পাঁচজন। অন্য চার ইউপিতে স্বতন্ত্র পরিচয়ে জিতেছেন বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত চার প্রার্থী।
বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন হেমায়েতপুর ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত জাহাঙ্গীর আলম, দাপুনিয়া ইউনিয়নে বিএনপির ওমর ফারুক ও আতাইকুলা ইউনিয়নে বিএনপির শওকত হোসেন।
মালিগাছা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মন্তাজ আলী জিতেছেন। সাদুল্লাহপুরে বিজয়ী হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আলীম মোল্লা। স্বতন্ত্র পরিচয়ে বিজয়ীদের মধ্যে মালঞ্চি ইউনিয়নের কবির হোসেন কটা বাবু, গয়েশপুরের মোতাহার হোসেন মুতাই, চরতারাপুর ইউনিয়নের সিদ্দিকুর রহমান খান সিদ্দিক ও দোগাছি ইউনিয়নের আলী হাসান স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা। দলের মনোনয়ন না পেয়ে তারা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।
আটঘরিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে দুটিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জিতেছেন। সেখানে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীকে দেবোত্তর ইউনিয়নে মোহাইমেন হোসেন চঞ্চল ও চাঁদভা ইউনিয়নে ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম কামাল জয় পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে জিতেছেন মাজপাড়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতা ফারুক হোসেন। এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আলাল উদ্দিন সরদার একদন্ত ইউনিয়নে ও আবদুল মালেক সরকার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের মধ্যে দুটিতে নৌকার প্রার্থী ও দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হেদায়েতুল হক ও অষ্টমনিষা ইউনিয়নে সুলতানা জাহান বকুল নৌকা প্রতীকে জিতেছেন। বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন খানমরিচ ইউনিয়নে মনোয়ারুল ইসলাম মিঠু ও দিলপাশার ইউনিয়নে আবদুল হান্নান।
জিএম/টিআই




