
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রবাসী মো. হোসেন প্রকাশ বাচাকে হত্যার ঘটনায় সুমন (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ফেনীর মোহাম্মদ আলী বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সুমন হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়নের কালা বাদশাপাড়া এলাকার মো. শফি মাস্টারের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে র্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চপল আরটিভি নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় প্রবাসী হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন তার ভাই মো. মোহছেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে র্যাব রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। এই ঘটনায় র্যাব অভিযান চালিয়ে গতকাল ফেনী থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর সুমন জানায়, ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত। সুমন প্রথমে সোহেল বাহিনীকে ভাড়া করে। তারপর আসামিরা হাটহাজারীর চারিয়াতে একত্রিত হয়ে চায়ের দোকানে ষড়যন্ত্র ও হত্যার পরিকল্পনা করে আটটি চাপাতি নিয়ে ভাগ করে দেয়।
তিনটি সিএনজি ভাড়া করে প্রথম সিএনজিতে সুমন বাহিনীর সুমন, মনসুর, সোহেল, হামিদ বাইল্যা ও ইমন উঠে ঘটনাস্থলের কাছে অবস্থান করতে থাকে। দ্বিতীয় সিএনজিতে কাইয়ুম, হাসেম, রাশেদ, শাহিদ, আলাউদ্দিন এবং তৃতীয় সিএনজিতে অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন যায়। এরপর সবাই একত্রিত হয়ে নিহত ও তার ভাই মোমেন এলাহীর ওপর হামলা চালায়। পরে লোকজন চলে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়। তাদের হামলায় হোসেন মারা যান এবং মোমেন এলাহীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যিনি এখনও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
সুমন আরও জানিয়েছেন, তার মাকে মো. হোসেন প্রকাশ বাচা মেরেছিল। সেই আক্রোশে সুমন চাপাতি দিয়ে বাচার কব্জি কেটে ফেলে এবং একাধিক চাপাতির আঘাতে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। গ্রেপ্তার সুমনকে হাটহাজারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এমআই




