
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) পরিবহন পুলে যুক্ত হয়েছে বিআরটিসি নতুন দুটি দ্বিতল বাস। এতে বাসের সংখ্যা বাড়লেও কমেছে ট্রিপের সংখ্যা। এতে করে শহর থেকে ক্যাম্পাস যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের। এমনও অবস্থা দেখা গেছে, বাসে দাঁড়ানোর মতো জায়গাও পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি. দূরে এই বিশ্ববিদ্যালয়। প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থীর এই ক্যাম্পাসে হলে অবস্থান করার সুযোগ পায় ৪ থেকে ৫ হাজার শিক্ষার্থী। বাকি শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরের মেস, বাসাবাড়িতে অবস্থান করে। বাইরে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ দিনাজপুর শহরে থাকে। তাদের প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য নিরাপদ ও সময়সঞ্চয়ী পরিবহন ব্যবস্থা হলো ক্যাম্পাসের বাস। এ ছাড়াও ক্যাম্পাসে ও আশেপাশে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়তই বিভিন্ন প্রয়োজনে দিনাজপুর শহরে যাতায়াত করতে বাসের ওপরেই নির্ভর করে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী।
চলতি বছরের শুরুতেই ২ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের পরিবহন সেবার মান আরও উন্নত করতে বিআরটিসির দুটি দ্বিতল বাস চালু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি হলেও পরিবহন সেবা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তুষ্টি দেখা গেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিগত সময়ে অল্প সংখ্যক বাস নিয়েও ৩০ মিনিট পর পর বাসের ট্রিপ থাকলেও বর্তমানে বিআরটিসি বাস যুক্ত হওয়ার পরেও তারা পর্যাপ্ত সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রশাসনকে বাস শিডিউলের বিষয়ে বারবার অবগত করার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। সকল শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ৩০ মিনিট পরপর বাস ও প্রতি ট্রিপে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
শিক্ষার্থীদের থেকে জানা যায়, পূর্বের ন্যায় আধা ঘণ্টা পর পর বাস না থাকায় কোনো একটা বাস ছুটে গেলে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় পরবর্তী বাসের জন্য। এছাড়াও ট্রিপে বাসের সংখ্যা কম হওয়ায় দাঁড়ানোর জায়গা পাওয়া যায় না। এতে করে সঠিক সময়ে ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারা ও বাসে জায়গা না হওয়ায় অটোরিকশায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের পরিবহনের ভোগান্তি নিয়ে পরিবহন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. খালেদ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের এই সিডিউল সমস্যা নিয়ে আমরা কাজ করছি,কিন্তু এই মুহূর্তে প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বাস দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আমাদের কিছু লোকবল সংকট রয়েছে। তবে আমরা ট্রিপে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমানোর চেষ্টা করছি।




