
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় ইমরানুল হকসহ দুই যুবকের ওপর অতর্কিতে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ঈদের পরের দিন সোমবার (১১ জুলাই) পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের নবাগিয়া বিলের পাশে নতুন রাস্তায় আজহারুল হকের ছেলে, মেয়ে ও পুত্রবধূসহ পরিবারের লোকজন বেড়াতে যান। এ সময় অভিযুক্তরা ইমরানুল হকের স্ত্রী ও বোনদের ছবি এবং ভিডিও ধারণসহ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বখাটেরা চাপাতি, বৈঠা, লাঠি ও চাকু দিয়ে ইমরানুল হকের মাথায় কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ভাতিজা মহসিন ভূঁইয়া মিন্টু এগিয়ে গেলে তার পায়েও আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে মঙ্গলবার (১২ জুলাই) ইমরানুল হকের বাবা আজহারুল হক বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় সাতজনের নামে মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার হোসেন্দী নয়াপাড়ার গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে মোস্তাকিম (৪০), কামরুলের ছেলে রিফাত (২০) ও আরাফাত (২৩), দুলাল মিয়ার ছেলে পিয়েল (২০), রাজ মিয়ার ছেলে রিজন (১৯), মিজানের ছেলে বিল্লাল (২১), সুরুজ মিয়ার ছেলে নাহিদ (১৯)।
স্থানীয়রা মানববন্ধনে বলেন, ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখনো বখাটেদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে ভুক্তভোগীরা বিচারহীনতায় ভুগছেন। আমরা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে আমাদের সন্তানরা স্কুল, কলেজে যাবে কিনা তা ভাবনার বিষয়। এলাকায় আমরা সন্তানদের নিরাপত্তা চাই।
পাকুন্দিয়া থানার এসআই মিজানুর রহমান আরটিভি নিউজকে জানান, এ ঘটনায় শোভন নামে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে আসামিরা পালিয়েছেন।




