
বুড়িগঙ্গা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা দুরন্ত বিপ্লবের মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান ছিল কামরাঙ্গীরচরের ঠোটা মুসলিমবাগ এলাকায়। এলাকাটি বুড়িগঙ্গা নদীর সোয়ারীঘাটসংলগ্ন। এ ছাড়া ময়নাতদন্তে তার মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
রোববার (১১ নভেম্বর) পুলিশ ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজামান বলেন, দুরন্ত বিপ্লবের সর্বশেষ অবস্থান কামরাঙ্গীরচরের ঠোটা এলাকায় পাওয়া গেছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় ওই এলাকায় একটি লঞ্চ ঘোরানোর সময় নৌকায় ধাক্কা দিলে এক যাত্রী পড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন মাঝি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে সুরতহালের সময় দুরন্ত বিপ্লবের ব্যবহৃত মোবাইলফোন ও মানিব্যাগ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছেন পাগলা নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক শাহজাহান আলী। তিনি বলেন, তার পকেটে শুধু ৩৫০ টাকা পাওয়া গেছে।
এদিকে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মফিজ উদ্দিন প্রধান বলেছেন, ময়নাতদন্তে দুরন্ত বিপ্লবের মাথা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি বলেন, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক হত্যার যে বিষয়টি জানিয়েছেন, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদ বলেন, লাশ গলে যাওয়ায় সুরতহালে আঘাতের বিষয়টি বোঝা যায়নি। এখনও এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তদন্তের দায়িত্ব পেলে নৌ পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।
দুরন্ত বিপ্লব নিখোঁজের ঘটনায় তার ছোট বোন শাশ্বতী বিপ্লব গত ৯ নভেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর গত শনিবার বিকেলে বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।




