ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বাস্থ্যসেবায় প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৫ পিএম

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, জীবনের শেষপ্রান্তে বয়স্ক নাগরিকদের উন্নত ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে স্বাস্থ্যসেবায় অন্তর্ভুক্তি করা ছাড়াও এ সেবাকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের স্বাস্থ্যখাতে বৃহৎ পরিসরে প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেবা প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যথেষ্ট সাপোর্ট রয়েছে। সরকার এ সেবাকে সামনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) আয়াত এডুকেশনের উদ্যোগে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে ‘প্যালিয়েটিভ কেয়ার স্কিলস ইন প্র্যাক্টিস’ শীর্ষক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আয়াত এডুকেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নুসরাত আমান বলেন, দিনব্যাপী এ সম্মেলনে প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সুনামধন্য একদল দক্ষ বিশেষজ্ঞ বক্তব্য রেখেছেন এবং প্রায় দুই শতাধিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সাথে (চিকিৎসক, নার্স ও শিক্ষক) তাদের শিক্ষা ও শ্রেষ্ঠ অনুশীলন শেয়ার করেছেন।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মাসুদ বিন মোমেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, ডিজিএইচএস এর ডিজি অধ্যাপক ড. আবু বাশার মো. খুরশিদ আলম, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এনামুল হক, যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ক্যানেডি স্কুলের এ্যাশ সেন্টার ফর ডেমোক্র্যাটিক গভর্ন্যান্স এন্ড ইনোভেশন এর সিনিয়র ফেলো ইকবাল কাদির, বিকাশ এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা কামাল কাদির, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, আয়াত এডুকেশনের চেয়ারম্যান তাহসিন আমান, আয়াত কলেজ অব নার্সিং এন্ড হেলথ সায়েন্সেস এর অধ্যক্ষ হালিমা আক্তারসহ অনেকে।

প্যালিয়েটি কেয়ার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি, গ্লোবাল প্রেক্ষাপটে শ্রেষ্ঠ অনুশীলনের শেয়ার এবং জীবনমান উন্নত করতে অখণ্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ারের দক্ষতার বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সক্ষমতা উন্নত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট জেনারেল হাসপাতাল, ওয়ার্ল্ডওয়াইড হসপিস এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার এ্যালায়েন্স, মিসন্স ইউনিভার্সিটি, আয়াত কলেজ অব নার্সিং এন্ড হেলথ সায়েন্সেস, আয়াত কেয়ার ও আমেরিকান এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের যৌথ অংশগ্রহণে এবং ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড ও এভারকেয়ার হসপিটালের সহায়তায় আয়াত এডুকেশন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

এর আগে সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও এমজিএইচ এর বাংলাদেশ বিষয়ক পরিচালক ড. বিমলাংশু দে। বক্তব্য উপস্থাপন করেন, ডাব্লিউএইচপিসিএ এর নির্বাহী পরিচালক স্টিফেন আর কনর, বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ ও সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. রুবাব দৌলা, তরু ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সাইফ কামাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হাসপাতালের পরিচালক ও প্রফেসর ড. স্বপন কুমার বন্দ্যপাধ্যয়।

অনুষ্ঠানের টেকনিক্যাল পর্বে ‘বাংলাদেশের প্যালিয়েটিভ কেয়ার প্রতিষ্ঠায় সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা’ বিষয়ের উপর বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গ্লোবাল হেলথ ও সোশ্যাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এরিক লুইস ক্র্যাকাউর, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অবস্ট্রেট্রিকস গাইনোকোলজী ও রিপোডাক্টিভ বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক এন্যেক্যাথরীন গুডম্যান, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অ্যান্ড্রে ব্রেনাগান, ডিজিএইচএস এর এনসিডিসি প্রোগ্রামের লাইন পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোবেদ আমিন, বিএসএমএমইউ এর প্যালিয়েটিভ কেয়ার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিউর রহমান ভুঁইয়া, সংসদ সদস্য ও বিএসএমএমইউ এর সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্তসহ অনেকে।

দিনব্যাপী এ কর্মসূচীর তৃতীয় পর্বে ’বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষায় প্যালিয়েটিভ কেয়ারের বর্তমান অবস্থা’ বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়। এতে অংশ গ্রহণ করেন, আয়াত কলেজ অব নার্সিং এন্ড হেলথ সায়েন্সেস এর অধ্যক্ষ হালিমা আক্তার, যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট জেনারেল হসপিটালের নার্স প্র্যাক্টিশনার (অনকোলজী) নিশা ওয়ালী, রেজিস্ট্রার্ড নার্স এ্যামিলি ইয়ারহার্ডটসহ অনেকে।

আয়াত এডুকেশন মূলত একটি অলাভজনক সামাজিক সংস্থা যার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, দেশের যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে আরও সমৃদ্ধি করা। স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান, দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ, জব প্লেসমেন্ট সার্ভিস ও পলিসি এডভোকেসি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আয়াত এডুকেশন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত ৩৬০০ এরও বেশি শিক্ষার্থীকে নার্সিং, কেয়ারগিভার ও ভোকেশনাল ট্রেনিং প্রদানের পর তাদের মধ্য থেকে দুই হাজার দুইশ জনেরও বেশি যুবককে দেশের বিভিন্ন লিডিং প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আয়াত এডুকেশন মূলত আয়াত কলেজ অব নার্সিং এন্ড হেলথ সায়েন্সেস, আয়াত কেয়ার, আয়াত স্কিলস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার ও ডিগনিফাইং লাইফ (প্যালিয়েটিভ কেয়ার) প্রোগ্রাম এই চারটি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।

বিএসএমএমইউ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ও হেলথ সায়েন্সেস এর সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৬ লাখ রোগীর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রয়োজন হয়। যদিও ২০১৫ সাল পর্যন্ত মাত্র ৪ হাজার রোগী এ সেবা গ্রহণ করেছে। এর পেছনে প্রধান কারণ মূলত প্যালিয়েটিভ কেয়ার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব ও প্রশিক্ষণের ঘাটতি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন আরটিভির বার্তা সম্পাদক তাবিবুর রহমান তালুকদার। আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ও হিমালয় গ্রুপের সহযোগিতায় ভূঞাপুর, গোবিন্দাসী ও পাথাইলকান্দি বাজারে গরীব, অসহায় ও দুস্থদের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় কম্বল পেয়ে খুশি হন ওই এলাকার গরীব-দুস্থ ও অসহায় মানুষরা। আরটিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা মুফাসসির পরিষদের সভাপতি মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের এলেঙ্গা শাখা ব্যাবস্থাপক মো. হাফিজুর রহমান, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহআলম প্রামানিক, সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম তালুকদার, নীড় ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাওলানা ফজলুর রহমান। এ সময় তারা বলেন, সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষের প্রতি দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই প্রতি বছর আমরা দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা।
টাঙ্গাইলে ভূঞাপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ
প্রেমিকাকে না পেয়ে মোবাইল টাওয়ারে প্রেমিক
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নে প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে হতাশায় নাফিজ (১৮) নামে এক তরুণ মোবাইল ফোনের টাওয়ারে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন বিকেলে ওই ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের পিপলস ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যা চেষ্টা করা ব্যক্তি হলেন, উপজেলার মথুরাপুর এলাকার ইহান সর্দারের ছেলে নাফিজ।  স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে আত্মহত্যার জন্য নাফিজ ওই টাওয়ারে উঠেন। এ সময় খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নাফিজের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ নানা রকম মতবিনিময় করেন। পরে তাকে ফিরে আসতে অনুপ্রেরণা জোগায়। এ সময় ঘণ্টাখানেক চেষ্টার পর তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।  তারা আরও জানান, এলাকার অপ্রাপ্তবয়স্ক একটি মেয়েকে ভালোবাসেন নাফিজ। প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। লাফিয়ে পড়তে সাহস না হলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় তাকে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে তাকে আত্মহননের হাত থেকে রক্ষা করে পুলিশ। এ বিষয়ে ওসি মজিবুর রহমান জানান, প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে নাফিজ আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা গেছে। শনিবার বিকেলে খবর পেয়ে কৌশলে তাকে বুঝিয়ে উদ্ধার করা হয়। 
প্রেমিকাকে না পেয়ে মোবাইল টাওয়ারে প্রেমিক
‘নতুন বছরে জঙ্গি মোকাবিলায় র‌্যাব প্রস্তুত’
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, নতুন বছরে জঙ্গি মোকাবিলায় র‌্যাব প্রস্তুত। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও আমাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে গুলশান ২ নম্বর মোড়ে নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এম খুরশীদ হোসেন বলেন, নতুন বছরে জঙ্গিরা নতুন করে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। তবে কোনো সংকট তৈরি হলে সেটি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুতি রয়েছি। আমরা সবসময় শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত। গুলশান নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এ এলাকায় দূতাবাস, ফাইভ স্টার হোটেল, সমাজের উচ্চবিত্তদের বসবাস। সবকিছু বিবেচনা করে আমরা বাড়তি নিরাপত্তা দিচ্ছি। র‍্যাব প্রধান বলেন, ডিএমপি থেকে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সবাইকে মেনে চলার অনুরোধ করছি। উন্মুক্ত স্থান ও ছাদে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। তবে ফাইভ স্টার হোটেলের অনুষ্ঠানে বাধা নেই। মাদকসেবন ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ঠেকাতে আমরা মাঠে আছি। সারাদেশে মানুষ উৎসব করবে। কিন্তু নিয়মের মধ্যে থেকে তা করতে হবে। সারা বিশ্বের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নববর্ষের ভিন্ন আয়োজন থাকে। তেমনি আমাদের দেশেও গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মানুষের চাপ বেশি থাকে। এজন্যই আমরা এসব এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তিনি বলেন, তরুণরা গুলশানকেদ্রিক। তারা বিভিন্নভাবে এ এলাকায় আসতে চায়। আমরা কাউকে নববর্ষ উদযাপনে বাধা দিচ্ছি না। আমরা আধুনিকতা পছন্দ করি। কিন্তু এর নামে বেহায়াপনা করলে সেটাও সমাজ মেনে নেবে না। এসব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। আমরা পারিবারিকভাবে এটি পালন করতে উৎসাহ দিচ্ছি।
‘নতুন বছরে জঙ্গি মোকাবিলায় র‌্যাব প্রস্তুত’
বাসের ধাক্কায় খালে প্রাইভেটকার, অতঃপর...
মাদারীপুরের ঘটকচর এলাকায় বাসের ধাক্কায় খালে পড়ে ডুবে গেল একটি প্রাইভেটকার। এ সময় প্রাইভেটকারে থাকা তিন যাত্রীসহ চালক আহত হয়েছে।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মওলা রসুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন বিকেলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঘটকচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহত চালক চাপাইনবাগঞ্জের গোমস্তপুর উপজেলার সোনাপাড়া গ্রামের মিরাজ মণ্ডলের ছেলে জামিরুল ইসলাম মণ্ডল। স্থানীয়রা জানান, একটি পরিবারের তিন সদস্য শনিবার বিকেলে বরিশাল থেকে একটি ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারযোগে ঢাকা যাচ্ছিল। এ সময় প্রাইভেটকারটি যখন ওই এলাকায় পৌঁছায়, তখন পিছন থেকে যাত্রীবাহী পরিবহন প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারটি পাশের একটি খালে পড়ে ডুবে যায়।  তারা আরও জানান, প্রাইভেটকারটি থেকে তিন যাত্রী ও চালককে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। যাত্রীদের মধ্যে শিশু ও মহিলা ছিল। আহতদের বাড়ি ভোলা জেলায়। তারা ঢাকা যাচ্ছিলেন। পরে স্থানীয় চিকিৎসক দেখিয়ে যাত্রীরা চলে যায়। এরপর হাইওয়ে পুলিশ গিয়ে প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করে।  ওসি মো. গোলাম মওলা রসুল জানান, শনিবার বিকেলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। খালে পানি কম থাকায় বড় ধরণের দুর্ঘটনা থেকে যাত্রী ও চালক রক্ষা পেয়েছে। পরিবহনটিকে আটক করা যায়নি। 
বাসের ধাক্কায় খালে প্রাইভেটকার, অতঃপর...
জামায়াতের ৮ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১৫
ঢাকায় গণমিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর আট হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) করা এসব মামলায় মোট ৮ হাজার ২০২ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ ও চারটি থানা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর মৌচাকে জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় পুলিশের ওপর হামলা করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। হামলায় ১১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় রমনা থানায় করা মামলার এজাহারে ৯১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও অজ্ঞাত তিন হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৯ জনকে। শাজাহানপুর থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। রামপুরা থানায় করা মামলায় ৩০২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও অজ্ঞাত চার হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে জামায়াতের উত্তরার আমিরসহ তিনজনকে। খিলগাঁও থানায় করা পুলিশের ওপর হামলা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়েছে। তবে অজ্ঞাতদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই জনকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে, শনিবার দুপুরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে জামায়াতের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য মেনে নেব না। তারা অতীতে যে নৈরাজ্য চালিয়েছিল তা নতুন করে আর করতে দেওয়া হবে না। বগুড়ায় চাঁদে সাঈদীকে দেখা নিয়ে পুলিশ সদস্যদের খুন করা হয়েছে। গাইবান্ধায় আগুন দেওয়া হয়েছে, পুলিশ সদস্যদের আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। অতীতে তারা যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় আবার পুলিশের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা এটি কোনোভাবেই মেনে নেব না। যত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তাই নেওয়া হবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, অবৈধভাবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মিছিল থেকে পুলিশের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করে। এতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ পুলিশের ১১ জন সদস্য আহত হয়েছেন। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জামায়াতের অতীত ইতিহাস ফিরে আসুক এটা আমরা মেনে নেব না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমাদের পুলিশ প্রস্তুত ছিল। তারা প্রথমে বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের করার তথ্য প্রচার করেছে, সেখানে আমাদের পুলিশ ছিল। সেখানে তারা মিছিল বের করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের বাধায় মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর তারা মৌচাক-মালিবাগ এলাকায় মিছিল বের করে। আপনারা জানেন ওই এলাকা তিন থানার মোড়, ফলে প্রত্যেক থানা নিজ নিজ এলাকায় প্রস্তুতি নেয়। এ সুযোগে তারা বিচ্ছিন্নভাবে একত্রিত হয়ে মিছিল বের করে। মৌচাকে পুলিশ তাদের বাধা দিলে সেখানে সংঘর্ষ হয়। জামায়াতের আমির গ্রেপ্তার আছে, কিন্তু হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে বাইরে থাকা শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না এমন প্রশ্নে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকেই আমাদের অভিযান চলছে।
জামায়াতের ৮ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১৫
আরও পড়ুন
শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ‘টিফিন প্লাস’ আনল নিউট্রি প্লাস
আয়াতের মতো কক্সবাজারে আরেক শিশুর মর্মান্তিক খুন
এবার আয়াতের বাবাসহ স্বজনদের ১২ টুকরো করার হুমকি
সেই আয়াতের বিচ্ছিন্ন মাথা পাওয়া গেল স্লুইস গেটে