
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার (২২) মৃত্যুর অভিযোগ এনে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ আটজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সামিউল আলম আবেদনটি খারিজ করে দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) দিদারুল আলম জানান, শুনানি শেষে বিকেলে বিচারক মামলার আবেদনটি খারিজ করে দেন।
এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলার আবেদন করেন নিহত নয়নের বাবা রহমত উল্লাহ।
মামলার এজহারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন রেজা, বাঞ্ছারামপুর থানার ওসি নূরে আলম, পরিদর্শক (তদন্ত) তরুণ কান্তি দে, উপপরিদর্শক আফজাল হোসেন খান ও বিকিরণ চাকমা এবং কনস্টেবল বিশ্বজিৎ চন্দ্র দাস ও শফিকুল ইসলামকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৯ নভেম্বর বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের মোল্লাবাড়ি এলাকায় বিএনপির মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি নয়ন মিয়া। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ৭টায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আরও অন্তত ১০ জন।




