
মাদারীপুরে ঘরে আগুন দিয়ে দুই সন্তানকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মা পূর্ণিমা বৈদ্য।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক মো. সাজিদ উল হাসান চৌধুরী আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত পূর্ণিমাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন। এর আগে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী কাকরাইল থেকে পূর্ণিমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পূর্ণিমা সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের শ্রীনদী এলাকার বাসিন্দা মানিক বৈদ্যর স্ত্রী।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকার সাবেক সেনাসদস্য গোলাম মাওলা মাতুব্বরের একতলা টিনশেড ঘর ভাড়া করে স্ত্রী পূর্ণিমা ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের শ্রীনদী এলাকার বাসিন্দা মানিক বৈদ্য। বাড়ির মালিক গোলাম মাওলা মাতুব্বর সপরিবারে ঢাকায় থাকেন। এক মাস আগে মানিককে একটি চুরির মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মানিকের ঘরে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। পরে তারা ঘরের দরজা ভেঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং দেড় বছরের শিশু মানদের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় গুরুতর আহতবস্থায় আড়াই বছর বসয়ী আরেক শিশু রুদ্রকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ণিমা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।




