
ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছে দেশটি। এসময় পিটার হাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের সঙ্গে এ আলোচনা হয় মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস বলছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলোকে গুরুত্ব সহকারে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার চার দিন পর রোববার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র ইমেইলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানায়। গত ১৪ ডিসেম্বর মায়ের ডাক সংগঠনের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে যোগ দেন। এ সময় রাষ্ট্রদূতের অনুষ্ঠান স্থলে কিছু প্রতিবাদকারী ঢুকার চেষ্টা করেন।
দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির কেন্দ্রে রয়েছে মানবাধিকার ইস্যু। ফলে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব অভিযোগকে গুরুত্ব সহকারে আমলে নিচ্ছে এবং নিয়মিত বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করছে। গত কয়েক বছরে ‘মায়ের কান্না’ মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।




