
লক্ষ্মীপুরে গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ ও সরকারি সম্পদ বিনষ্টের চেষ্টার অভিযোগে জামায়াত-শিবিরের ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে ২১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, এজাহারভুক্ত আসামি মো. সোহেল ও মাওলানা ইসমাইল।
অন্য আসামিরা হলেন, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ফারুক নুরনবী, লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের সভাপতি আবুল ফারাহ নিশান, জামায়াত নেতা হুমায়ুন কবির, আনাস কামাল, আবু শরীফ মোহাম্মদ ইয়াকুব, মো. ইলিয়াস, ফারুকসহ ২১ জন ও অজ্ঞাত ২৫০ জন।
পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানিয়েছে, সদর উপজেলার পিয়ারপুর ব্রিজের ওপর লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কে আসামিরা শনিবার ভোরে জড়ো হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টি ও সরকারি সম্পদ পিয়ারাপুর ব্রিজের ক্ষতির চেষ্টা করে অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের মোবাইলে ধারণকৃত স্থিরচিত্র দেখে এজাহারনামীয় আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, জামায়াত-শিবিরের লোকজন জড়ো হয়ে গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধনে চেষ্টা করে। বিস্ফোরক ও নাশকতার ঘটনার মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে লক্ষ্মীপুর আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।




