
হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় কুইক রেসপন্স টিম গঠন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে তিন দিন ধরে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। সোমবার (২১ আগস্ট) বিকেলে এক রোগীর মৃত্যু হলে তার স্বজনরা চড়াও হন ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর। এ সময় হাসপাতালের ৩৫নং ওয়ার্ডে ভাঙচুর করে তারা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২০ আগস্ট) কুচাই শ্রীরামপুর নোয়াগাঁওয়ে বাতির আলীর ছেলে শাহাব উদ্দিনকে (৪০) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে হাসপাতালের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর শয্যায় ভর্তি করা হয়। পরে সোমবার বিকেলে শাহাব মারা যান। এ ঘটনা নিয়ে রোগীর স্বজনরা ওয়ার্ডের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ও নার্সদের ডিউটি রুমে ভাঙচুর করে। পরে খবর পেয়ে হাসপাতাল ক্যাম্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও চারজনকে আটক করে।
এদিকে মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বারবার অনুরোধেও কাজে ফেরেনি ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের পর তারা জানান, বুধবার দুপুর পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করবেন তারা। তারপরই কাজে ফেরার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। শিক্ষানবিশ চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি মো. রাকিব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত মজুমদার এ কর্মবিরতির ঘোষণা দেন।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুল হক ভূঁইয়া বলেন, রোগীর স্বজনদের হামলা ও ভাঙচুরের কারণে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা কর্মবিরতি দিয়েছে।




