
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. আনোয়ার হোসেন খানকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় আনোয়ার খান এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, নৌকা মার্কার পোস্টার ছিঁড়ছে, তা নিয়ে কিছুই বলছিনা। যত পোস্টার ছিঁড়বে, ততই লাগাবো। কিন্তু আমিতো খুবই বিপদগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছি। আমি ঢাকা থেকে রামগঞ্জে ফেরার পরে, আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি জনগণের জন্য নির্বাচন করতেছি। ভোট করছি সম্মানের জন্য। সমাজকে কিছু দেওয়ার জন্য। কিন্তু লাইফ থ্রেড, এটাতো ভাল কথা নয়।
তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। যেকোনো সময় আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাকে লাইফ থ্রেড দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খেয়াল রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান এমপি আনোয়ার খান।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান পবন নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে আওয়ামী লীগের একাংশ কাজ করছে। পবনের বিতর্কিত বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করেও হাবিবুর রহমান পবনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করেন জেলা প্রশাসন।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. তারেক বিন রশিদ প্রমুখ। এ ছাড়া জেলার ৪টি আসনের ৩১ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান বলেন, লক্ষ্মীপুরে ভোট হবে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ। কোনো ভোটারকে কেউ কেন্দ্রে আসতে বাধা দিলে তাকে কঠোর হস্তে দমন করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ভোটের দিন পুরো জেলা নিরাপত্তার চাদরের মোড়ানো থাকবে। আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। সুষ্ঠু ভোট প্রদানে কেউ বাধা প্রদান করলে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাবেন। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব ইনশাআল্লাহ। সুষ্ঠু ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে যা যা করা দরকার জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।




