
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাটকে সমর্থন দিয়েছে পঞ্চগড় জেলা জাতীয় পার্টির একাংশ।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়াই জেলা জাতীয় পার্টির নেতারা আওয়ামী লীগ নেতা সম্রাটের পক্ষে প্রচারণা চালান।
জানা যায়, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদকের নেতৃত্বে দলটির নেতারা পঞ্চগড় বাজারের টিনপট্টি রোড, কাঁচা বাজার এলাকা, মুরগির বাজারসহ আশেপাশের এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন। এ ছাড়াও ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পথচারীসহ সকলের কাছে ট্রাক প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন জেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।
এ সময় পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন মৃধা, জাতীয় কৃষক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোখলেছার রহমান লাবু, জেলা যুব সংহতির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত চৌধুরী বাবুসহ জাতীয় পার্টি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা শহরের কাঁচা বাজার এলাকায় এক পথসভার আয়োজন করেন তারা।
জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবদারুল ইসলাম মুক্তা বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক শারীরিকভাবে অসুস্থ। এ কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। তবে আমরা জেলা জাতীয় পার্টির সম্মিলিত সিদ্ধান্তক্রমে এবারের নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার সাদাত সম্রাটকে সমর্থন দিয়ে তার পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছি। সেই সঙ্গে আগামী ৭ তারিখে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে আমরা গণসংযোগ ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করে ট্রাক প্রতীকে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছি।
এ বিষয়ে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক বলেন, আমি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু কারণবশত রিটার্নিং কর্মকর্তা আমার প্রার্থিতা স্থগিত করেছেন। তবে আমি যে কোনো সময়ে প্রার্থিতা ফিরে পেলে নির্বাচনে অংশ নেবো। তাছাড়া আমি শারীরিকভাবেও অসুস্থ। কিন্তু আমাদের দলীয় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি কাউকে সমর্থন করার বিষয়ে। যারা সমর্থন করে গণসংযোগ ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করেছেন সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। তারা কাকে ভোট দেবে সেটাও তাদের বিষয়।
উল্লেখ্য, পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় পার্টির দুজন প্রার্থী থাকায় ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় দুজনেরই মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন পঞ্চগড়ের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম।




