ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি : হাইকোর্টে স্থগিত ৬১ জনের মামলা

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:৩১ পিএম

সুনামগঞ্জে হাওরে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলের ১৫ কর্মকর্তা ও ৪৬ ঠিকাদারসহ ৬১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে কেন এই মামলা বাতিল করা হবে না এ মর্মে রুলও জারি করেছেন আদালত। দুদক চেয়ারম্যান, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ পাঁচজনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ১২ ডিসেম্বর দেয়া আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

এ মামলার আসামি মো. বাচ্চু মিয়ার রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি মালামা মাসুদ চৌধুরী ও এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

শুনানিতে আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। আসামি মো. বাচ্চু মিয়া মেসার্স ইব্রাহিম ট্রেডার্স অ্যান্ড শামীম আহসানের প্রোপ্রাইটার।

খুরশীদ আলম খান বলেন, হাওরে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলের ৬১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম তিনমাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রুল জারি করেছেন আদালত। এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল করবো। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

চলতি বছরের ২ জুলাই সুনামগঞ্জে হাওরে বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলের ১৫ কর্মকর্তা এবং ৪৬ ঠিকাদারসহ ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ১৬৬, ৪০৯, ৫১১ ও ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার পর ঢাকার মতিঝিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আশপাশ থেকে আসামি সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী (সাময়িক বরখাস্ত) মো. আফসার উদ্দিন ও ঠিকাদার বাচ্চু মিয়াকে গ্রেফতার করে দুদক।

সুনামগঞ্জে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির ঘটনা নিয়ে একটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ১৩ এপ্রিল অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। গঠন করা হয় তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি। দুদক পরিচালক বেলাল হোসেনকে প্রধান করে ওই টিম করা হয়। টিমের অনুসন্ধানে ওই প্রতিবেদনের সত্যতা মেলে। সেই সূত্রেই মামলা করা হয় ৬১ জনের বিরুদ্ধে।

মামলায় জামিনপ্রাপ্ত আসামিরা

মামলার ৬১ আসামির মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা রয়েছেন ১৫ জন। তারা হলেন- পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দিন, সুনামগঞ্জের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী দীপকরঞ্জন দাস, সুনামগঞ্জের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, সিলেট সার্কেলের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম সরকার, সাবেক অতিরিক্ত প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই, সেকশন কর্মকর্তা মো. শহীদল্লা, সেকশন কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ খান, সেকশন কর্মকর্তা খন্দকার আলী রেজা, সেকশন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, সেকশন কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, সেকশন কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ ভুঁইয়া, সেকশন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল করিম, সেকশন কর্মকর্তা মো. মোসাদ্দেক, সেকশন কর্মকর্তা সজীব পাল, সেকশন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

অপরদিকে ৪৬জন ঠিকাদার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হলো- গুডম্যান এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার আফজালুর রহমান, মেসার্স খন্দকার শাহীন আহমেদের প্রোপ্রাইটার খন্দকার শাহীন আহমেদ, মাহীন কন্ট্রাকশনের প্রোপ্রাইটার মো. জিল্লুর রহমান, সজিব রঞ্জন দাসের প্রোপ্রাইটার সজীবরঞ্জন দাস, মেসার্স এলএন কন্সট্রাকশনের প্রোপ্রাইটার পার্থসারথী, মেসার্স হান্নান এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার হান্নান আহমেদ, মেসার্স নূর ট্রেডিংয়ের প্রোপ্রাইটার খায়রুল হুদা চপল, কামাল হোসেনের প্রোপ্রাইটার কামাল হোসেন, কাজী নাসিম উদ্দিন, খন্দকার আলী হায়দার, মেসার্স আকবর আলীর প্রোপ্রাইটার মো. আকবর আলী, আমিন অ্যান্ড কোংয়ের প্রোপ্রাইটার মো. রবিউল আলম, মেসার্স বোনাস ইন্টারন্যাশনালের প্রোপ্রাইটার মো. আবুল হোসেন, মেসার্স বসু নির্মাণ সংস্থার প্রোপ্রাইটার শিব্রত বসু, মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার মোজাম্মেল হক মুনিম, মেসার্স ইব্রাহীম ট্রেডার্স অ্যান্ড শামীম আহসানের প্রোপ্রাইটার মো. বাচ্চু মিয়া, মেসার্স এম রহমানের প্রোপ্রাইটার শেখ মো. মিজানুর রহমান, মেসার্স মাহবুব এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার আবুল মহসিন মাহবুব, মেসার্স মালতী এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটার বিপ্রেশ তালুকদার বাপ্পি, মেসার্স মো. জামিল ইকবালের প্রোপ্রাইটার মো. জামিল ইকবাল, মেসার্স নিম্মী অ্যান্ড মুমুর প্রোপ্রাইটার চিন্ময়কান্তি দাস, মেসার্স নিয়াজ ট্রেডার্স এর প্রোপ্রাইটার নিয়াজ আহমেদ খান, মেসার্স প্রীতি এন্টারপ্রাইজের মিলন কান্তি দে, মেসার্স আর আর ট্রেডিংয়ের প্রোপ্রাইটার খান মো. ওয়াহিদ রণি, ঠিকাদার মো. শোয়েব আহমদ, মো. ইউনুস, মো. আবদুল কাইয়ুম, মো. আতিকুর রহমান, মো. খাইরুজ্জামান, মো. মফিজুল হক, মো. মখলিছুর রহমান, মো. নূরুল হক, মো. রেনু মিয়া, মো. শাহরিন হক মালিক, মো. শামসুর রহমান, আবদুল মান্নান, মোকসুদ আহমেদ, মো. সাইদুল হক, মো. মাহতাব চৌধুরী, কাজী হাসিনা আপরোজ, শেক আশরাফ উদ্দিন, লুৎফুল করিম, হাজী মো. কেফায়েতুল্লাহ, হুমায়ূন কবির ও মো. ইকবাল মাহমুদ।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
মেহেরপুর সদর উপজেলায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজাপুর গ্রামে চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম ওয়াহেদ আলী। সে ওই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।   মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরটিভি অনলাইনকে জানান, সকালে হরিরামপুর গ্রামের নানাবাড়ি থেকে মাছ নিয়ে একটি সাইকেল করে বাড়ি আসছিল ওয়াহেদ। পথে রাজাপুর গ্রামের চঞ্চল মিয়ার ইটভাটার কাছে এলে মাটি বহনকারী ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ট্রলি ফেলে পালিয়ে যায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করে। ট্রাক্টর চালককে আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান  ওসি। জেবি/এসএস
মেহেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয়েছেন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া। শনিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার চৌধুরীবাড়ী কলাবাগ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার দায়ে অভিযুক্ত প্রেমিক ইকবালকে পুলিশ আটক করেছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নিহত তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন। নিহতের পরিবার আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ২০০৫ সালে পুরানবন্দর এলাকার তাজুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বিয়ে হয় কলাবাগ এলাকার বাসিন্দা সৌদি প্রবাসী নূর হোসেনের। তাদের দুইটি মেয়ে সন্তানও রয়েছে। দেড় বছর আগে নূর হোসেনের বাড়ির নির্মাণ কাজের সময় তানিয়ার সঙ্গে টাইলস মিস্ত্রী ইকবাল মিয়ার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক হয়। ইকবাল মিয়ার স্ত্রী জর্ডান প্রবাসী। দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে তিনি একই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ইকবাল মিয়া তানিয়াকে জিম্মি করে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা আদায় করে। বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও বিষয়টি জানতো। শনিবার রাতে ইকবাল মোবাইল ফোনে তানিয়ার কাছে টাকা চায়। তানিয়া টাকা নেই বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবাল রাত দুইটার দিকে তানিয়ার বাসায় ঢুকে তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।   এসময় তানিয়ার গোঙানির শব্দে তার মেয়ে নুসরাত জেগে উঠে ইকবালকে পালিয়ে যেতে দেখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তানিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এদিকে রাতেই পুলিশ ঘাতক ইকবাল মিয়াকে তানিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ আটক করে। বন্দর থানার ওসি মো. আবুল কালাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, আটককৃত ইকবালের কাছ থেকে তানিয়ার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ইকবালের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। জেবি/এসএস
পরকীয়া প্রেমিকের হাতে প্রবাসীর স্ত্রী খুন
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
পদ্মা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার চারদিন পর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা থেকে এক পরিবহন সুপারভাইজারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকাল সাড়ে দশটার দিকে পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুনের পাশের একটি চর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম মকবুল হোসেন (৩৭)। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার লালপুর এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং সোহাগ পরিবহনের সুপারভাইজার। গেলো বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের চার নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় সোহাগ পরিবহন থেকে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গেলো বুধবার দুপুরে পদ্মানদীতে পড়ে যান মকবুল। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর শিবালয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। চারদিন নিখোঁজ থাকার পর রোববার সকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাটের পাঁচ নম্বর ঘাট পন্টুন এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জেবি/এসএস
নিখোঁজের ৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
রংপুরের পীরগাছায় যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার দিনগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সাগরী খাতুন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে। নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাহাঙ্গীর আলম আরটিভি অনলাইনকে জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার বীরগঞ্জের হরিদেবপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে সাগরী খাতুনের সঙ্গে পীরগাছা উপজেলার কান্দি কাবিলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে দেড় লাখ টাকা যৌতুক দেন আমিনুল ইসলাম। তিনি আরো জানান, সম্প্রতি ব্যবসা করার বাহানা করে স্ত্রী সাগরী ও শ্বশুরকে আরো এক লাখ টাকা যৌতুক দেয়ার জন্য চাপ দেয় রফিকুল। টাকা দিতে অস্বীকার করলে শনিবার রাতের কোনো এক সময় স্বামী রফিকুল ও তার পরিবারের লোকজন সাগরীকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালায়।  রোববার সকালে নিহতের বাবা এ ঘটনায় পীরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। জেবি/এসএস
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন
সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের জয়নাড়ি বেপারীপাড়া এলাকায় আটি সুইং থ্রেড নামে একটি সুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।  রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে কারখানার পাঁচ শ্রমিক আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। জানা যায়, দুপুর একটার দিকে ওই কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন কারখানার অন্যত্রে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সাভার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার লিটন আহমেদ জানান, কীভাবে কারখানায় আগুন লেগেছে তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এসএস 
সাভারে সুতার কারখানায় আগুন