গরিব ও মধ্যবিত্তের প্রোটিন ও পুষ্টির আঁধার ডিম ও মুরগি। খাসি ও গরুর মাংসে হাত দেওয়া জো নেই। মুরগির বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট অনেক শক্ত। কঠোর আইন প্রয়োগ না হলে এ সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে না। কালিয়াকৈর বাজারে সকাল থেকে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩০০ টাকায়। আর সাদা লেয়ার ৩৫০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। এছাড়া, জাতভেদে প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।
এদিকে প্রশাসনের বাজার মনিটরিং করার তেমন উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ ক্রেতাদের। তবে বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। এছাড়া, প্রতি কেজি খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
ক্রেতারা জানান, বাজারে মাছ-মুরগির দাম আগে থেকে লাগামহীন। এতে আমিষের চাহিদা মেটানো বিলাসিতা। এখন ডিমের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে মুরগির দাম। এতে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।
কালিয়াকৈর বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জাহিদ জানান, বাজারে কমেছে মুরগির সরবরাহ। তাছাড়া, মুরগির ফিড ও বাচ্চার দাম বাড়ায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন ব্যবস্থা, যার প্রভাব পড়ছে বাজারেও। বাজারে মুরগি কম আসছে। পাশাপাশি পাইকারিতে দাম বাড়ায়, এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও ।
আরটিভি/এএএ