ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, আরও কমবে তাপমাত্রা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
চুয়াডাঙ্গায় বয়ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, আরও কমবে তাপমাত্রা। ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মত কুয়াশা ঝরছে। হিম শীতল বাতাস ও কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা হ্রাস পেয়েছে। অতিরিক্ত ঠান্ডায় খেটে খাওয়া ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষগুলো অসহায় হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।

এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ দিকে সড়কের পাশে সাধারণ মানুষ পথচারী শীত থেকে বাঁচতে খরকুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেয়ার চেষ্টা করছেন। ভোর থেকেই মানুষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

আরও পড়ুন

পেটের তাগিদে বাইরে বের হওয়া মানুষগুলো এক রকম অসহায় হয়ে পড়েছেন। সড়কের যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা নেই বললেই চলে। ঘন কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ব্যাহত হতে পারে চাষাবাদ কার্যক্রম।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে জনজীবনে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যার পর থেকে তাপমাত্রা কমে আসায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে এই ঠান্ডার ভেতর।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে শিশু কনসালটেন্ট ডা. মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, অতিরিক্ত শীতের কারণে শিশুরা বেশি ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
আরও পড়ুন
সকালের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
যেসব বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানাল আবহাওয়া অফিস
সাগরে লঘুচাপের আভাস, ৪ বিভাগে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া