ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদ্যুতের লাইন মেরামত করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন লাইনম্যান সহকারী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে বিদ্যুতের লাইন মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারিয়েছেন মো. শাহীন (৩৮) নামে এক লাইনম্যান সহকারী।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড় পৌরসভার ধাক্কামারা গোলচত্তরে বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খুঁটির ওপরেই মৃত্যু হয় তার।

ফায়ার সার্ভিস, প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয়রা জানান, ওইদিন বিকেলে পঞ্চগড়ের বিসিক ফিডারে বিদ্যুতের ত্রুটি হয়। পরে সেখানে পঞ্চগড় বিদ্যুৎ বিভাগ নেসকোর লাইনম্যানসহ পাঁচজন লাইন মেরামতের জন্য গোলচত্তরে যান। লাইনম্যান সহকারী শাহীন মই দিয়ে খুঁটিতে উঠে মেরামতের কাজ শুরু করেন। কিন্তু, কাজ শেষ না হতেই বিদ্যুৎ চালু করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খুটিতেই ঝুলে থাকেন তিনি।

এক পর্যায়ে তার মুখ দিয়ে অনবরত রক্ত বের হতে থাকে। প্রায় ১৫ মিনিট পর লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা গিয়ে শাহীনের নিথর দেহ নিচে নামায়। পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাকে।

আরও পড়ুন

এদিকে, তার মৃত্যুর জন্য নেসকোকে দায়ী করেছেন স্বজনরা। বিক্ষুব্ধ হয়ে তারা পঞ্চগড় বিদ্যুৎ বিভাগ নেসকোর অফিস ঘেরাও করেন। এক পর্যায়ে বিচারের দাবিতে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কও অবরোধ করেন তারা। পরে ঘটনাস্থলে পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তুষার কান্তি রায় বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় একজন ব্যক্তি বিদ্যুতের খুঁটির ওপর ঝুলে আছেন। পরে ফায়ার ফাইটাররা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুপুরে কমিটি ঘোষণা, বিকেলে ফেসবুক পোস্টে এনসিপি নেতার পদত্যাগ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মামুন মজুমদার নামের এক নেতা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান। তিনি উপজেলা কমিটিতে ১নম্বর যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহবায়ক ব্যারিষ্টার মাজারুল ইসলাম সোহেল ও সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটু অনুমোদিত এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আহবায়ক কমিটির ঘোষণার পর পরই মামুন মজুমদার ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। আহবায়ক কমিটিতে মামুন মজুমদারকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাখা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে মামুন মজুমদার লেখেন, তিনি সব সময় রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকলেও প্রকাশ্য রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন পর্যন্ত দেশের ক্রান্তিকালে দায়বদ্ধতা থেকে দলটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে সচেতনভাবে অংশ নিয়েছেন। তিনি আরো লেখেন, ব্যক্তিগত কারণে অনেক আগেই রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করার পর সেখানে নিজের নাম দেখতে পান, যা তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে হয়নি। এ কারণে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি উপজেলা কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান এবং উপজেলা এনসিপিতে কাজ করা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের শুভকামনা জানান। পদত্যাগের বিষয়ে মামুন মজুমদার বলেন, কমিটি ঘোষণার আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়েছিলেন, কমিটিতে থাকবেন না। এরপরও ভুলবশত তাকে উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে। এ কারণে ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। তবে জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন বলেও জানান তিনি। এ দিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সৈয়দ আহসান টিটু জানান, মামুন মজুমদার লিখিত কোনও পদত্যাগপত্র জমা দেননি। তবে ফেসবুকে তার পদত্যাগের পোস্ট তারা দেখেছেন। এরই মধ্যে উপজেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। সৈয়দ আহসান টিটু আরও বলেন, তাদের ধারণা, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার কারণে মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
দুপুরে কমিটি ঘোষণা, বিকেলে ফেসবুক পোস্টে এনসিপি নেতার পদত্যাগ
ধানক্ষেতে মিলল শিশুর মরদেহ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে নিজের সাত বছর বয়সী শিশুসন্তান ইউসুফকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মা রিনি বেগমের বিরুদ্ধে। নিখোঁজের তিন দিন পর বগুড়ার সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় শিশুটির মা রিনি বেগম আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত ইউসুফ বড় বালুয়া এলাকার বাসের হেলপার উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে বসবাস করত। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইউসুফ উজ্জ্বল হোসেনের নিজের সন্তান নয়। রিনি বেগম শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে পরে উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সময় শিশুটির দুই পা চেপে ধরে রেখেছিলেন তার মা। পরে শিশুটির নিথর দেহ ধানক্ষেতে ফেলে যাওয়া হয় বলে ওই সূত্র জানিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্পর্কে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিনি বেগমের প্রথম বিয়ে হয়েছিল বগুড়া শহরের অদূরে। প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার টেকেনি। পরে শিশু ইউসুফকে নিয়ে তিনি সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকায় উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করে তার সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। উজ্জ্বল পেশায় বাসের হেলপার। পরবর্তী সময়ে রিনি বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ছিল বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউসুফ নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন তাদের বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি এসেছিলেন। ওই দিন থেকেই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা। নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ। বালুয়াহাট বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছেও পরিচিত ছিল ইউসুফ। স্থানীয় দোকানিদের ভাষ্য অনুযায়ী, সে বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে দিয়ে সহযোগিতা করত। বিনিময়ে দোকানিরা তাকে পাঁচ থেকে দশ টাকা করে দিতেন। ছোট্ট শিশুটির এমন করুণ মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একটি শিশুর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয় হওয়ার কথা তার পরিবার। অথচ ইউসুফের মৃত্যুর ঘটনায় তার মায়ের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির মৃত্যু ঘিরে উঠে আসা তথ্যগুলো যেমন মর্মান্তিক, তেমনি এ ঘটনায় অপরাধের প্রকৃত কারণ, সম্ভাব্য সহযোগী এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদ্ঘাটন করাও জরুরি। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও তদন্তের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। শিশুটির মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, শিশুটিকে হত্যার ঘটনায় তার মা রিনি বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ধানক্ষেতে মিলল শিশুর মরদেহ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
ফরিদপুর জেলা পরিষদের দুটি ভবনের ছাদে স্থাপিত ৬০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। নেট মিটারিং পদ্ধতির আওতায় এ পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ যুক্ত করা হচ্ছে।
সরকারি ভবনের ছাদে উৎপাদন ৬০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যুক্ত হলো জাতীয় গ্রিডে
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো চাপাতি দিয়ে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা মামলার প্রধান আসামি ও মূল পরিকল্পনাকারী মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৬, স্পেশাল কোম্পানি।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নগরীর সোনাডাঙা ও সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন— মো. ইব্রাহিম গাজী। গ্রেপ্তার মিরাজ (৩৯) নগরীর হাজী মহসিন রোড এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে। ইব্রাহিম গাজীর (৪২) বাড়ি নগরীর টুটপাড়ার সরকারপাড়া এলাকায়। এসআরবি-৬-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদে বৃহস্পতিবার স্পেশাল কোম্পানির একটি দল নগরীর সোনাডাঙা থানার কলাবাগান এলাকা এবং খুলনা সদর থানার টুটপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এসআরবি-৬ খুলনার উপ-অধিনায়ক ও স্পেশাল কোম্পানির কমান্ডার মেজর মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা এ ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিরাজ ওরফে স্পিকার মিরাজের বিরুদ্ধে কেএমপির আড়ংঘাটা ও সদর থানায় গুরুতর আঘাত, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার সহযোগী ইব্রাহিম গাজীর বিরুদ্ধেও খুলনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রয়েছে। গত ৯ অক্টোবর গভীর রাতে খুলনা জেলার সার্কেল অফিসে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম (৪৩) রিকশাযোগে পুলিশ ক্লাবে যাচ্ছিলেন। পথে নগরীর সদর থানার কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পৌঁছালে তিনজন অজ্ঞাতনামা ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে।  এ সময় ছিনতাইকারীরা তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর উপর্যুপরি কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. আওয়াল হোসেন খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আরটিভি/এসআর  
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ‘স্পিকার মিরাজ’সহ গ্রেপ্তার ২
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা এক দিন বয়সী এক নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা শিশুটিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশগঞ্জ এলাকায় সমীরের বাড়ির গলির পেছনে ড্রেনের পাশে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার দিকে মহেশগঞ্জ বাজার এলাকায় পথচারীরা নবজাতক কন্যাশিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, নবজাতকের পরিচয় ও তার মা-বাবার সন্ধান বের করার চেষ্টা চলছে। কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...
আরও পড়ুন
পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ জনের মৃত্যু, নিহতদের বেশির ভাগই শিশু
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ছোটভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বড়ভাইয়েরও মৃত্যু, আহত মা
পেনসিলভানিয়ায় গুলিতে পুলিশ কর্মকর্তা নিহত, আহত আরেকজন
ফ্লোরিডায় স্কুলবাস উল্টে প্রাণ গেল শিক্ষার্থীসহ ২ জনের