ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, দুলাভাইয়ের স্বীকারোক্তি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
ফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ৬ বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে শিশুটির হত্যার রহস্যও উদঘাটন হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের প্রেমতলী এলাকায় একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুটি গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের সন্তোষপুর বুড়িতলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার নানা বাড়ির এক আত্মীয়ের সঙ্গে আলীনগর ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামে তাফসীর মহফিল শুনতে যায়। সেখান থেকেই হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় সে। বিষয়টি জানাজানি হলে মহফিল থেকে শিশুটিকে খোঁজার জন্য মাইকিং করা হয়। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। পরদিন শনিবারও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় গোমস্তাপুর থানায়।

নিহতের বড় ফুফু কারিমা খাতুন পপি জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে শিশুটি অন্য শিশুদের সঙ্গে পাশের একটি বাগানে খেলছিল। এ সময় তার ভাতিজা জামাই কাছেই অবস্থান করছিল। সে শরিফাকে নিয়ে যায় এবং এরপর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ।

আরও পড়ুন

জিডির সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের দুলাভাই মো. অন্তরকে (২০) আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে ধানের জমিতে লাশ ফেলে রাখার কথা স্বীকার করে।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আলীনগর ইউনিয়নের প্রেমতলী এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। এ ঘটনায় করা জিডিটি নিয়মিত মামলায় রূপান্তর করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরটিভি/টিআর/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
৫০ অফিসার নিয়োগ দেবে শিশু হাসপাতাল
অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ কল দিলেন স্বামী