ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা, টিন-বেড়া খুলে নিয়ে গেলেন পাওনাদাররা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নড়াইল সদর উপজেলায় পাওনা টাকা না দেওয়ায় একটি বসতঘরের চালার টিন, বেড়া, রান্নাঘরের খুঁটি ও আসবাবপত্র খুলে নিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একদল পাওনাদারের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের রুখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুখালী গ্রামের জাহিদ সিকদার একই এলাকার কয়েকজনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা ধার নেন। পরবর্তীতে পাওনাদাররা টাকা ফেরত চাইলে তিনি সময়ক্ষেপণ করেন এবং একপর্যায়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর নির্ধারিত সময়ে টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মিজানুর বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, মিকাইল বিশ্বাস ও ইয়াসিন বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল লোক জাহিদের বাড়িতে গিয়ে প্রথম দফায় বসতঘরের চালার টিন ও বেড়া খুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফায় গিয়ে তারা রান্নাঘরের চালা, খুঁটি এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্রও নিয়ে যান। এ সময় ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন ৮০ বছর বয়সী খাতিজা বেগম।

খাতিজা বেগম বলেন, তারা হঠাৎ করে এসে ঘরের টিন খুলতে থাকে। ভ্যানে করে টিনগুলো নিয়ে যায়। আমি লাঠি ভর দিয়ে মির্জাপুর পুলিশ ক্যাম্পে যাই। আমি বুড়ো মানুষ, আমার কথায় কেউ আসেনি। একজন পুলিশ আসলে হয়ত আমার ঘরটা তারা ভাঙতে পারত না।

জাহিদের বাবা জাফর সিকদার অভিযোগ করেন, দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের বসতঘরসহ একাধিক ঘরের টিন ও মালামাল খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

অভিযুক্তদের একজন মিকাইল বিশ্বাস দাবি করেন, জাহিদের কাছে তিনি টাকা পান এবং একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রাখার ঘটনায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সে কারণে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এসব সামগ্রী নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে মির্জাপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক সুব্রত কুমার দাস বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ নিয়ে ক্যাম্পে কেউ আসিনি।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, বিষয়টি থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১০ টাকার বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে নির্জনে নিয়ে গেলেন ভ্যানচালক
বরগুনায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে জলিল (৫০) নামে এক ভ্যানচালকের বিরুদ্ধে।
১০ টাকার বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে নির্জনে নিয়ে গেলেন ভ্যানচালক
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
স্কুলের অফিসকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
আরও পড়ুন
৭০% কাজ শেষ, এর মাঝেই বাতিল হলো নবগঙ্গা সেতুর চুক্তি
এস এম সুলতানের মৃত্যুবার্ষিকী: প্রথম দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
নড়াইলে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী