ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় রাস্তার ওপর মাটির বাঁধ, বিপাকে স্থানীয়রা

পাইকগাছা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৮ এএম

খুলনার পাইকগাছায় চলাচলের রাস্তায় মাটি তুলে বাঁধ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঘের মালিকের বিরুদ্ধে। ফলে অতিরুক্ত প্রায় ২ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

জানাগেছে, উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গজালিয়া ও কাঁটাবুনিয়া মৌজায় বদ্ধ চাঁদখালী নদীর পূর্ব পাশে রাস্তা। এটি গজালিয়া চর মসজিদের পাশ থেকে দক্ষিণ অভিমুখে সরকার ইটের রাস্তা তৈরি করে। যার দক্ষিণ মাথা গজালিয়া ক্লাব রাস্তার সাথে মিশেছে। দক্ষিণ মাথার কিছু রাস্তা ইটের সলিং না থাকার সুযোগে পার্শবর্তী ঘের মালিক আব্দুর রব চলাচলের রাস্তায় মাটি তুলে বাঁধ নির্মাণ করেছেন। ফলে রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় মফিজুল বিশ্বাস জানান, রাস্তার আড়ে ছিলো ১২ ফুট। পার্শবর্তী ঘের মালিক আব্দুর রব সরদার দীর্ঘদিন মৎস ঘের করছে। ঘেরের পানিতে প্রতি বছর বাঁধটি ভাঙছে। বর্তমানে ১২ ফুটের রাস্তাটি ৬ ফুটে এসে দাঁড়িয়েছে। ঘের মালিকের কারণে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে।

আরও পড়ুন

রাসেল সরদার জানান, আমরা এই রাস্তা দিয়ে ভ্যানে যাতয়াত করতাম কিন্তু, রব সরদার সরু রাস্তার এক পাশ দিয়ে মাটির বাঁধ দিয়েছে। ফলে আমাদের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

রব সরদার জানান, প্রতিবছর বৃষ্টির সময় ঘের ডুবে মাছ বের হয়ে যায়। সেজন্য আমি রাস্তার এক পাশ দিয়ে বাঁধ দিয়েছি। কারো চলাচলের সমস্যা হলে তারাও রাস্তার অপর পাশ দিয়ে মাটি তুলে বাঁধ দিয়ে চলাচল করুক।

চাঁদখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ সরদার বলেন, রব সরদার রাস্তায় মাটি দিয়ে যান চলাচলের সমস্যা করছে। বিষয়টি আমি শুনে তাকে মাটি অপসরনের জন্য বলেছিলাম কিন্তু তিনি শোনেননি। আমি অতিদ্রুত রাস্তাটি যান চলাচলের উপযুক্ত করার ব্যবস্থা করবো।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার উত্তর দেয়ানা এলাকার হোসেন শাহ রোডের ২১২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
বাবা-মায়ের ফোন ও সোনা বিক্রি করে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাবার মোবাইল ফোন ও মায়ের সোনার অলঙ্কার নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রীকে হবিগঞ্জ থেকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণির এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠার পর পরিবারের অজান্তে গত ১২ অক্টোবর সকালে ওই চার শিক্ষার্থী স্কুলের অনুষ্ঠানের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু তারা ক্লাসে উপস্থিত হয়নি। বিষয়টি জানার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত করে। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পাশাপাশি দেশের সব থানায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের ছবি ও তথ্য পাঠানো হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, নিবিড় অনুসন্ধানের একপর্যায়ে গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুনারুঘাট থানা-পুলিশের সহযোগিতায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকা থেকে ওই চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুদের বয়স আট থেকে বারো বছরের মধ্যে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ কম ছিল। তারা নিয়মিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং টিকটকে ভিডিও আপলোড করত। এসব মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে কয়েকজন ছেলের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে ওঠে। তবে পরিচিত ওই ছেলেদের প্রকৃত ঠিকানা সম্পর্কে তারা জানত না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুল ধারণা ও ফ্যান্টাসিতে বিভ্রান্ত হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও উপার্জনের উদ্দেশে তারা বাসা থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ও সোনার অলঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কুমিল্লার টাউন হল সুপার মার্কেটের বাহার মোবাইল মার্কেটে পরিবারের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চার হাজার টাকায় বিক্রি করে তারা। সেই টাকা নিয়ে প্রথমে ঢাকায় গেলেও পরিকল্পনা সফল না হওয়ায়, এক শিক্ষার্থীর দাদাবাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। হবিগঞ্জে পৌঁছে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে তারা। তবে প্রকৃত ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় ওই সিএনজিচালক রাত ২টার দিকে চার শিশুকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যান। ইতোমধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিক্রি করা মোবাইল ফোন এবং সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া চার শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি/টিআর
বাবা-মায়ের ফোন ও সোনা বিক্রি করে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাবার কবর জিয়ারত করতেন জাকির হোসেন (৬২)। এ ছাড়া কোনো উপলক্ষে কিংবা বাবাকে মনে পড়লেই তিনি বাবার কবরের সামনে যেতেন। তবে এটি আর এখন সম্ভব নয়। 
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
সাগরে নিখোঁজ স্বামী, সৌদিতে নিহত ছেলের মরদেহের অপেক্ষায় মা
যে সাগর স্বামী জালাল মিয়াকে কেড়ে নিয়েছিল, সেই সাগরেই ছেলেকে হারানোর ভয় ছিল মা ছাহেরা বেগমের। তাই স্বামীকে হারানোর পর একমাত্র ছেলেকে বাঁচানোর আকুলতায় ধারদেনা করে তাকে পাঠিয়েছিলেন সৌদি আরবে।
সাগরে নিখোঁজ স্বামী, সৌদিতে নিহত ছেলের মরদেহের অপেক্ষায় মা
দেশের একমাত্র রেলপথ, চলন্ত ট্রেনে ওঠা-নামা যেখানে ‘দুধভাত’
‘দাদি, হেঁটে যাচ্ছেন কেন? ট্রেনে উঠে আসেন।’ ট্রেনের যাত্রীর এমন প্রশ্নের জবাবে বৃদ্ধার উত্তর, ‘না, আজ ট্রেনে যাব না। আমার একটু তাড়া আছে, তাড়াতাড়ি যেতে হবে।’
দেশের একমাত্র রেলপথ, চলন্ত ট্রেনে ওঠা-নামা যেখানে ‘দুধভাত’
আরও পড়ুন
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
খুলনায় ৬ কেজি আইস উদ্ধার
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
বাসা ‘ভাড়া নেওয়ার’ কথা বলে ঘরে ঢোকেন তিন নারী, অতঃপর...