ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (১১ মে) মামলার চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদা খাতুন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি নূর আলম পান্নু।

আরও পড়ুন

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৪ শাখা সব অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনে লাইসেন্সধারীদের সব অস্ত্র ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু শাহীন চাকলাদার তার লাইসেন্স করা পিস্তল জমা দেননি। পরে এসআই তারেক মোহাম্মদ আল নাহিয়ান তদন্ত করে জানতে পারেন, শেখ হাসিনার পালানোর দিন শাহীন চাকলাদার ওই অস্ত্রসহ আত্মগোপনে চলে যান। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অস্ত্রসহ পালিয়ে যাওয়ায় শাহীন চাকলাদার সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডে অস্ত্রটি ব্যবহার করতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ২৮ মে কোতোয়ালি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।

আরটিভি/এমএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে অসহায় দুস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বী পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে শারদীয় উপহার হিসেবে ৫০০ টি শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। 
পাবনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার বিতরণ
ভারত থেকে ১৮টি নতুন রেলকোচ পৌঁছাল বাংলাদেশে
ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি নতুন ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথ দিয়ে কোচগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রানাঘাট স্টেশন থেকে ছেড়ে গেদে চেকপোস্টের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোচগুলো দর্শনায় পৌঁছায়। কোচগুলো নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হবে। গত ১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালা এলাকা থেকে কোচগুলোর যাত্রা শুরু হয়। রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২০ মে বাংলাদেশ সরকার একটি প্রকল্পের আওতায় ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্য ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করে। পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর চুক্তিটি সংশোধন করা হয়। শুক্রবার দর্শনা স্টেশনে পৌঁছানোর পর কোচগুলোর প্রাথমিক পরিদর্শন, শুল্কসংক্রান্ত ছাড়পত্র (কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স) এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে কোচগুলো নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হবে। সেখানে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন, কার্যক্ষমতা পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর কোচগুলো যাত্রীবাহী ট্রেনের বহরে যুক্ত করা হবে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত করার অংশ হিসেবে ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে চার ধরনের ১৮টি কোচ এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দুটি এসি স্লিপার কোচ এবং দুটি এসি পাওয়ার কার। পাওয়ার কারগুলোতে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের ব্যবস্থা রয়েছে। ভারত থেকে আরও ১৮২টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ দেশে আসার কথা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
ভারত থেকে ১৮টি নতুন রেলকোচ পৌঁছাল বাংলাদেশে
ময়লার স্তূপে পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ, অতঃপর...
গাজীপুরের শ্রীপুরে ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা ককটেলসদৃশ একটি বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে নুর মোহাম্মদ (৪৫) নামের এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের সাটিয়াবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্য, এসআরবির ঢাকা বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্য এবং শ্রীপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।  আহত নূর মোহাম্মদ ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। বিস্ফোরণে আহত হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফার্নিচার ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ দোকানের পাশের ময়লার স্তূপের কাছে প্রস্রাব করতে গিয়েছিলেন। সেখানে ককটেলসদৃশ একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে তিনি সেটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলেন। বিস্ফোরকজাতীয় বস্তুটি চিনতে না পেরে সেটির সেফটি রিং টেনে খুলে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে সেটি বিস্ফোরিত হয়। এতে তার বাম হাতের তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, দোকানের পেছনে প্রস্রাব করতে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তি ময়লার স্তূপ থেকে প্লাস্টিক বা কৌটার মতো একটি বস্তু হাতে নিয়ে দোকানের সামনে আসেন। সেখানে বসে থাকা কয়েকজন তাকে বস্তুটি নাড়াচাড়া করতে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি সেটি নাড়াচাড়া করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার তিনটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওসি আরও জানান, বস্তুটি ককটেল বা পেটার মতো নয়; এটি প্লাস্টিকের তৈরি গোল কৌটার মতো। এটি বোমা কিংবা প্লাস্টিকের হ্যান্ড গ্রেনেডজাতীয় কিছু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ককটেলসদৃশ বস্তুটি সেখানে কীভাবে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১) গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার দেবজিত পাল বলেন, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের তথ্য অনুযায়ী, এটি ৫ আগস্ট থানা থেকে হারিয়ে যাওয়া পুলিশের একটি সাউন্ড গ্রেনেড। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এবং এসআরবি গাজীপুরের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আরটিভি/টিআর
ময়লার স্তূপে পাওয়া ককটেলসদৃশ বস্তু বিস্ফোরণ, অতঃপর...
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঘাইছড়ির সাজেকে চার দিন ধরে চলা পর্যটক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রথম দিনে প্রায় ৮০০ পর্যটক সেখানে প্রবেশ করেছেন। দীর্ঘ চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট-রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে গত কয়েক দিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহন চলাচল শুরু হয়। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, চার দিন বন্ধ থাকার পর প্রথম দিনেই প্রায় ৮০০ পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন। পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাঁদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণ করে নিতে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকেরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এদিকে, সাজেকে পর্যটকদের নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাজেকের পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে পর্যটকদের আগমন আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। আরটিভি/টিআর
অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা শেষে ফের উন্মুক্ত সাজেক, প্রথম দিনেই ৮০০ পর্যটক
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এক রাতেই আরও ৫১৯ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ নিয়ে আট দফার অভিযানে আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৭০ জনে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় সর্বশেষ এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। পুলিশ জানায়, সর্বশেষ অভিযানে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। আরটিভি/টিআর
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৫১৯
আরও পড়ুন
লেকশোর হোটেলের এমডি কাজী তারেক শামসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
রায় শুনে আদালতেই জ্ঞান হারালেন আওয়ামী লীগ নেতা
সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পীরগঞ্জে ৫০ জনের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা, গ্রেপ্তার ২