ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

নেশার টাকার জন্য ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
নিহত আমির হোসেন সরদার। ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে নেশার টাকা না দেওয়ায় আমির হোসেন সরদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তি আপন ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ভাইয়ের নাম সোহেল সরদার।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের পট্টি ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন সোহেল সরদার।

জানা গেছে, পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় আমির হোসেন ব্যবসা করে জীবন নির্বাহ করতেন। সোহেল ছিলেন সবার ছোট।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের বোন রাশিদা বেগম জানান, সোহেল সরদার দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য প্রায় সময় বাসায় ভাঙচুর করে থাকে। মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে চতুর্থ ভাই জুয়েল সরদারের আলমারির ড্রয়ার থেকে টাকা চুরি করে নিয়ে যান। এ নিয়ে প্রথমে সোহেল ও জুয়েলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে বড় ভাই আমির হোসেন তাদের থামাতে আসেন। একপর্যায়ে শাসন করার জন্য জুয়েলকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন আমির হোসেন। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল পেছন থেকে কাঠ দিয়ে আমির হোসেনের মাথায় আঘাত করে। এতে আমির হোসেন গুরুতর আহত হন।

আরও পড়ুন

পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী তাহমিনাকে অপহরণ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে অভিযুক্তরা
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বানেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার নিখোঁজের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান মেলেনি। তাকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী তাহমিনাকে অপহরণ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে অভিযুক্তরা
মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত পিতা, অতঃপর...
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পারিবারিক কলহের জেরে মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর বিষাক্ত পদার্থ সেবনে গাজী খোরশেদ আলম (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। 
মেয়ের লাঠির আঘাতে আহত পিতা, অতঃপর...
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচতে চায় শিবগঞ্জের মানুষ
দীর্ঘদিনের জেঁকে বসা মাদকের আগ্রাসন যেন থামছেই না । অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবন ।
মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচতে চায় শিবগঞ্জের মানুষ
১১ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদীতে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবু বক্কার (৬৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ওই শিশুকে বাড়িতে একা পেয়ে তার ঘরে ঢুকে বক্কার তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে এক প্রতিবেশী ঘটনাস্থলে আসেন। তখন শিশুটিকে রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে যান বক্কার। পরে রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত বক্কারকে ধরে একটি ঘরে আটকে রাখেন। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। ওই দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নানা নাটকীয়তা চললেও সমাধান না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মামলা পর্যন্ত গড়ায়। পরদিন শিশুটির পরিবার থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত বক্কারকে গ্রেপ্তার করে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের একাধিক বাসিন্দা বলেন, আবু বক্কারের আচরণ ভালো নয়। তাদের অভিযোগ, তিনি এর আগেও একাধিক নারীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছেন এবং নারী ও শিশুর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া, এর আগেও বক্কার ওই এলাকার ভুক্তভোগী শিশুসহ অন্য শিশুদের শরীরে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
১১ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গ্যাস লিকেজ থেকে সংঘটিত বিস্ফোরণের ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। চার দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে একে একে মারা গেছেন দগ্ধ চারজনই। স্বজনদের কাঁদিয়ে তাঁরা সবাই পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরের দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথমে মারা যান স্বামী শরীফ ও স্ত্রী রোজিনা। একই দিন সকালে মৃত্যু হয় রোজিনার ভাই রিয়াজের। সবশেষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন দুর্ঘটনাকবলিত বাড়িটির কেয়ারটেকার রনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকেরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে চারজনের শরীরই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। বিস্ফোরণে রনির শরীরের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ এবং রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া শরীফ ও রিয়াজের প্রত্যেকের শরীরের ৪০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। উল্লেখ্য, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে জমে থাকা গ্যাস থেকে এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি পরিবারের চার সদস্য গুরুতর দগ্ধ হন। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আরটিভি/টিআর
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: দগ্ধ চারজনেরই মৃত্যু
আরও পড়ুন
‘বেশি বাড়াবাড়ি করিও না’: অনিয়মের প্রশ্নে সাংবাদিকদের ইউপি চেয়ারম্যান
কিশোরীর পেটব্যথা কমাতে মাকে তেল-পানি আনতে পাঠান মাদরাসার প্রিন্সিপাল, অতঃপর...
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পদ্মায় চলছে মা ইলিশ নিধন, প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে পাড়ে
পল্লি চিকিৎসকের ভুল ইনজেকশনে প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশুর