লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করা ৩ ভারতীয় নারীকে ফেরত নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনার পর সীমান্তে টহল আগের চেয়ে অনেক বেশি জোরদার করেছে বাংলাদেশ অংশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিপরীতে ভারতীয় অংশে বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া-সংলগ্ন বাতি নিভিয়ে ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ।
বিজিবি ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) সহকারী পরিচালক (এডি-অবস) কারিমুল ইসলাম হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় ৩ নারীকে বিএসএফ ফেরত নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ষোলঘড়িয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকায় প্রধান পিলার ৮৩৪-এর ১ নম্বর উপপিলারের বিপরীতে গোলাপাড়া গ্রামের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া-সংলগ্ন বাতি নিভিয়ে দেয় বিএসএফ। এ সময় পুশইনের জন্য আনা ৩ নারীকে শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বাহিনীটি।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ ৩ নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছিল। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ওই তিনজনকে পুনরায় ভারতের শূন্যরেখায় ফেরত পাঠানো হয়। এতে ভারতের ১০০ গজ অভ্যন্তরের শূন্যরেখায় প্রায় ২২ ঘণ্টা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে বাধ্য হন তারা।
ঘটনার পর গতকাল দুপুর ১টায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৩৩-এর ৮ নম্বর উপপিলার এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে টহল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে খড়খড়িয়া বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ড্যান্টসহ ৬ জন এবং ধবলসূতি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার জুবায়ের হোসেনসহ ৬ জন অংশ নেন।
আরটিভি/ এসকেডি




