ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

হঠাৎ নদীতে ভেসে এলো কফিন, ঘটনা কী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:১০ পিএম
নদীতে ভেসে আসা কফিন। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদীতে একটি খালি কফিন ভেসে আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কফিনটি খুলে ভেতরে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মরিচারচর (টানমলামারি) গ্রামে গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদীতে কফিনটি ভেসে আসে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আউয়াল (৩৫) কৌতূহলবশত কফিনটি তুলে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে সেটি তিনি আবার নদীতে ভাসিয়ে দেন।

আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘প্রথমে না বুঝেই কফিনটি বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। পরে স্থানীয়দের পরামর্শে আবার নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছি।’

প্রত্যক্ষদর্শী ইব্রাহীম খলিল, মোজাম্মেল হক ও ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের ধারণা কফিনটি উজানের ময়মনসিংহ বা জামালপুরের দিক থেকে স্রোতে ভেসে এসেছে। এমনও হতে পারে দেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে নিহত কোনো ব্যক্তির মরদেহ দাফন করতে না পেরে কফিনে ভরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে প্রবল স্রোতে মরদেহ ও কফিন আলাদা হয়ে যাওয়ায় খালি কফিনটি আমাদের এলাকায় এসে পৌঁছেছে। তবে এটি আমাদের ধারণা মাত্র, বিষয়টি ভিন্নও হতে পারে।

আরও পড়ুন

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রথমে তারা ধারণা করেছিলেন কফিনের ভেতরে মরদেহ রয়েছে। তবে খুলে দেখার পর সেটি খালি পাওয়া যায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে অনেক মানুষ কৌতূহলবশত কফিনটি দেখতে আসেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আজম গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা বাসিন্দাদের কেউ পুলিশকে অবগত করেননি। শুনেছি, একটি খালি কফিন নদীতে ভেসে এসেছিল। পরে স্থানীয়রা সেটি আবার নদীতে ভাসিয়ে দিলে তা অন্যত্র চলে যায়।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
নরসিংদীতে বিনামূল্যে ১০ লিটার দেশীয় মদ না দেওয়ায় তানভীর আহমেদ রাব্বি (৩০) নামে একটি দেশীয় মদের দোকানের ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বিনামূল্যে মদ না দেওয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে মাদক, চোরাচালান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে থানা পুলিশ। 
সিলেটে মাদক-চোরাচালান দমনে কঠোর অভিযান, ৬০ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত ৬৬ জন এবং মরণোত্তর ১৮ জনসহ মোট ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কচুয়ায় অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর ৮৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা প্রদান
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চাঁদপুরের কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম মাদক ব্যবসায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে তিন দিনের তাবলিগ জামাতে পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন। একাধিক মাদক মামলায় জড়ানোর পরও জামিনে বেরিয়ে একই কর্মকাণ্ডে ফেরার অভিযোগ থাকায় তাদের এই সুযোগ দেওয়া হয়।
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. হামিম খান নামে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্র তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার। ছেলের সন্ধানে অভাবের সংসারের সব কাজকর্ম ফেলে পথে পথে ঘুরছেন বাবা-মা। নিখোঁজ হামিম খান ১২ উপজেলার সেহাংগল গ্রামের দিনমজুর মো. জাকির খানের ছেলে। সে স্থানীয় সুন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হামিমের মা মোসা. ছবি বেগম ঘরের বাইরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় তিনি আড়াই বছর বয়সী ছোট ছেলেকে হামিমের কোলে দিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ছোট ছেলের কান্নার শব্দ শুনে ছবি বেগম ঘরে এসে দেখেন, হামিমের কাছ থেকে ছোট ভাইটি মাটিতে পড়ে কাঁদছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হামিমকে কিছুটা বকাঝকা করেন। এর কিছুক্ষণ পর হামিম স্বাভাবিকভাবেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, স্থানীয় আব্দুর রহিমের অটোরিকশায় করে হামিম স্বরূপকাঠির দিকে যাচ্ছিল। এরপর স্বরূপকাঠি, কাউখালী উপজেলা এবং বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নেওয়া হয়। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িতেও সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু তিন দিনেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর হামিমের মা ছবি বেগম নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ছেলের নিখোঁজ হওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা ছবি বেগম। তিনি বলেন, শনিবার সকালে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দুষ্টুমি করার কারণে ছেলেকে একটু বকাঝকা করেছিলাম। এরপর সে স্বাভাবিকভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। দুপুরে বাড়িতে না ফেরায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। অনেক জায়গায় খুঁজেও তাকে পাইনি। এ কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এদিকে দিনমজুর বাবা জাকির খানও ছেলের সন্ধানে কাজকর্ম বাদ দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হামিমের সন্ধান পাওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, হামিম নিখোঁজের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হামিম ৩ দিন ধরে নিখোঁজ 
আরও পড়ুন
মাদরাসায় যাওয়ার পথে তরুণীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩
এক নারীর দুই স্বামী, হাসপাতালে তুমুল মারামারি 
যুবককে পিটিয়ে হত্যার মামলা নিতে নারাজ দুই থানার পুলিশ
একা পেয়ে কিশোরীর ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ করেন বৃদ্ধ, অতঃপর...