ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

মহাসড়কে ইয়াবা ফেলে ঝগড়ায় মত্ত দুই কারবারি, কুড়িয়ে নিতে হুলুস্থুল

স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কুড়িয়ে নিতে দেখা গেছে স্থানীয়, পথচারী ও গাড়ি চালকদের। এছাড়াও অনেক ইয়াবা বিভিন্ন গাড়ির চাকার সঙ্গে পিষে গেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে পৌরসভার নুনাছড়া এলাকার মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। আমরা কয়েকজন মিলে প্রায় এক হাজারের অধিক ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

এদিকে পুলিশ বলছে ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও একশ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেছি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ জনি নামে এক যুবক বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখি। তার পাশে দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে দুইজন আরোহী ঝগড়া করছিল। এই সময় স্থানীয়রা তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে আমরা নীল প্লাস্টিকে মোড়ানো ১০-১২ প্যাকেট ইয়াবা ও শতাধিক ইয়াবার পিস কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশকে বুঝিয়ে দিই।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক যুবক বলেন, আমি নিজেই কুড়িয়ে দিয়েছি প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা। জনি নামে এক যুবক অনেকগুলো প্যাকেট ও ইয়াবা কুড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পুলিশকে জনি কত পিস ইয়াবা দিয়েছে তা জানতে চাইলে পুলিশ বলেন আপনার কেন এত মাথা ব্যাথা। তাছাড়া আপনি কেন এত তদন্ত করছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে পুলিশ জনির কাছে থেকে ইয়াবাগুলো বুঝে নেন।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অনিক বলেন, ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। কিন্তু সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমি শহরে আছি। ঘটনাস্থলে এসআই অনিক গিয়েছিল। তার তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে কোনো মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা মাদক কারবারিদের ধাওয়া দিলে তারা মাদক রেখে পালিয়ে যায়। এবং ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেন। থানায় গেলে বিস্তারিত জানতে পারব।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা ও পরিশ্রমের পর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে খুলনার পাইকগাছার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের। ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২০০ প্রার্থীর মধ্যে মেধাক্রমে তার অবস্থান ১৩৬তম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি (LLB) সম্পন্ন করা আব্দুল্লাহ আল মামুনের এই সাফল্যে তার পরিবার ও এলাকায় আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি পাইকগাছা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামে। তার বাবা মো. এনামুল হক লস্কর পাইকগাছা দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী। মা হ্যাপিয়ারা বেগম গৃহিণী। সাধারণ একটি পরিবার থেকে উঠে এসে আব্দুল্লাহর এই অর্জনকে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে দেখছেন। আব্দুল্লাহর শিক্ষাজীবনের শুরু মাদরাসায়। রাজশাহীর আল-মারকাযুল ইসলামী আস-সালাফী থেকে দাখিল এবং গাজীপুরের টঙ্গীর তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা থেকে আলিম পাস করেন তিনি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ‘খ’ ইউনিটে তিনি ১১তম এবং ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি সম্পন্ন করেন তিনি। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসার পথটি আব্দুল্লাহর জন্য সহজ ছিল না। প্রথমবার বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাননি। তবে ব্যর্থ হয়ে থেমে যাননি। বরং আরও মনোযোগ দিয়ে প্রস্তুতি নিতে থাকেন। নিজের সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গত আট বছর যাবৎ এই দিনটির জন্য স্বপ্ন দেখছি ও অপেক্ষা করছি। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে খারাপ লেগেছিল অবশ্যই, কিন্তু হতাশ হইনি। ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করে গেছি। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় আল্লাহ রহমতের দুয়ার খুলে দিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, পরিশ্রম করলে ও লেগে থাকলে আল্লাহ কখনো নিরাশ করেন না। নিজের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের অবদানের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, সফলতার পেছনে নিজের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের পাশাপাশি বাবা-মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমার এই স্বপ্ন পূরণ করার মতো সক্ষমতা আমার আছে—তারা এটা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন। বাবা-মায়ের এই আস্থা ও বিশ্বাসই আমাকে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করার মানসিক শক্তি জুগিয়েছে। সহকারী জজ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করার কথা জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, বর্তমানে নিম্ন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা পেন্ডিং রয়েছে। একটি মামলা শেষ হতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। যার কারণে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা একেবারে তলানিতে। ভুক্তভোগীরা এখন বিচার পাবেন না ভেবে আদালতেই আসতে চান না। আব্দুল্লাহ বলেন, আমি এই অবস্থা কিছুটা হলেও বদলাতে চাই। দেশের বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য। জুডিশিয়াল সার্ভিসে আসতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্বপ্ন পূরণের জন্য পরিশ্রম করা ও লেগে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই হতাশ হওয়া যাবে না। লেগে থাকলে সফলতা আসবেই। আব্দুল্লাহ আল মামুনের ১৮তম বিজেএসে সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার খবরে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ব্যর্থতার পর আবার চেষ্টা এবং শেষ পর্যন্ত সাফল্য—তার এই পথচলা এখন স্থানীয়দের কাছেও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে। আরটিভি/টিআর  
মাদরাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এবার সহকারী জজ হলেন আব্দুল্লাহ
রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী সরফভাটা এলাকায় ‘কর্ণফুলী পানি শোধনাগারের তৃতীয় প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।
রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
একমাত্র এক্স-রে মেশিনের অভাবে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শত শত সাধারণ ও হতদরিদ্র রোগী। সরকারি সুবিধা না পেয়ে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ খরচে তাদের যেতে হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে। সরকারি হাসপাতালে তিন বছর ধরে আধুনিক এক্স-রে মেশিন পড়ে থাকলেও তা চালু না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, ৩৫ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত এই হাসপাতালটি দুর্গম লংগদু উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্তের ইউনিয়ন থেকে শত শত হতদরিদ্র মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা না থাকায় অনেকে অর্থসংকটে সঠিক চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে সরকারিভাবে হাসপাতালটিতে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে হাসপাতালে ‘এমদাদ’ নামের একজন এক্স-রে টেকনিশিয়ান (এক্স-রে ম্যান) কর্মরত থাকলেও মেশিনটি চালু না থাকায় তিনি কোনো সেবা দিতে পারছেন না। ফলে কারিগরি লোকবল থাকা সত্ত্বেও সরকারের দেওয়া সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসকসংকট দেখা দিয়েছে। মঞ্জুরকৃত ২৮টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক দিয়ে কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এমনকি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদ—আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO)—উভয় পদই বর্তমানে শূন্য রয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, কষ্ট করে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে এসেও ঠিকমতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না। সাধারণ এক্স-রে করানোর জন্যও বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দরিদ্র মানুষের পক্ষে বাইরের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাইদুর রহমান জানান, বিনামূল্যে এক্স-রে সেবা দিতে পারলে রোগীদের জন্য অনেক উপকার হতো। কিন্তু কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে মেশিনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অবিলম্বে এক্স-রে মেশিনটি চালু করা এবং শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে অবহেলিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ। আরটিভি/টিআর
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
কলাগাছের ভেলাবাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়
নৌকা বাইচের সঙ্গে কমবেশি সবাই পরিচিত। তবে কলাগাছের ভেলায় চড়ে বাইচ প্রতিযোগিতা খুব একটা দেখা যায় না। এমনই ব্যতিক্রমী আয়োজনের সাক্ষী হলো কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বড়ুরিয়া খাল।
কলাগাছের ভেলাবাইচ দেখতে উপচে পড়া ভিড়
মেয়েকে কামড়ানো রাসেলস ভাইপার বোতলে পুরে হাসপাতালে বাবা
মেয়েকে দংশন করেছে রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া)। আতঙ্কে সাপটিকে মেরে ফেলা বা পালিয়ে যাওয়ার বদলে সাপকে বুদ্ধি করে বোতলে বন্দী করে হাসপাতালে ছুটলেন বাবা।
মেয়েকে কামড়ানো রাসেলস ভাইপার বোতলে পুরে হাসপাতালে বাবা
আরও পড়ুন
রাঙ্গুনিয়ায় হচ্ছে ওয়াসার তৃতীয় পানি শোধনাগার, দৈনিক মিলবে ১০ কোটি লিটার
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই চবির শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগ নেতার ভিডিও কল
মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট