গাইবান্ধায় অপরহণ মামলার প্রধান আসামি মেহেদুল ইসলামকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রেম প্রত্যাখ্যানে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদরাসা থেকে ফেরার পথে ওই কিশোরীকে অপহরণ করেছিলেন আসামি মেহেদুল।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে র্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাবের যৌথ একটি টিম।
গ্রেপ্তার মেহেদুল সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, অপহৃত শিক্ষার্থী স্থানীয় শেরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণিতে পড়ে এবং তারবিয়াতুল উম্মা মহিলা মাদরাসায় আরবি লেখাপড়া করে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় তাকে আসামি মেহেদুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। কিন্তু শিক্ষার্থী আসামির প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ঘটনা তার পরিবারকে জানায়। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ঘটনাটি অভিযুক্ত মেহেদুলের বাবা-মাকে জানালে তারা ক্ষুব্ধ হয়।
সবশেষ ৬ জুন সকালে এই শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার সময় সাদুল্লাপুর থানা এলাকার দক্ষিণ কাজিবাড়ী সন্তোলা এলাকা থেকে আসামি মেহেদুল তার অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় ছাত্রীকে অপহরণ করে সিএনজিচালিত রিকশায় অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
পরে এ ঘটনায় ১২ জুন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়।
পরে শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ভোলাইল মরাখালপাড় এলাকা থেকে আসামি মেহেদুলকে গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধা র্যাব-১৩ ক্যাম্প এবং নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১ ক্যাম্পের একটি যৌথ টিম। একই সঙ্গে একই এলাকা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকেও উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তার আসামি মেহেদুলকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরটিভি/এসএস



