
রাজবাড়ীর পাংশায় নিখোঁজের দু’দিন পর এক নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে নির্যাতনের পর একটি চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের স্বর্ণগড়া ঠাকুরের বাগান এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাবেয়া খাতুন (৩৫) পাংশা উপজেলার নারানপুর পূর্ব রেলগেট এলাকার হোসেন আলীর মেয়ে।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত দু’দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন রাবেয়া। এ ঘটনায় তার বড় বোন পাংশা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এ দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয় ব্যক্তিরা বাগানের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পাংশা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রাবেয়াকে অমানবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। এমনকি তার একটি চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্বজনরা। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে নির্যাতন ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরটিভি/এমএম




