
টানা ছুটিতে পড়তে যাচ্ছে দেশ। আর এই ছুটিকে কেন্দ্র করে অফ সিজনেও মুখরিত হবে বিশ্বের সবচে বড় সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। এরইমধ্যে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতে বুকিং দিয়ে রাখছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। আর হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোর মালিকদের চোখেও হাসির ঝিলিক। তারা আশা করছেন এই অফ সিজনেও লম্বা ছুটির কারণে ভালো ব্যবসা করবেন।
সাপ্তাহিক ছুটি, বৌদ্ধপূর্ণিমা, মে দিবসসহ প্রায় নয় দিনের ছুটি। এরইমধ্যে ২১টি স্টার হোটেল বুকিং করেছের দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। মাঝারি মানের হোটেলগুলোর রুমও প্রায় ৪০ শতাংশ বুকিং হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন আজ সন্ধ্যার মধ্যেই সব হোটেল বুকিং হয়ে পড়বে। এদিকে পর্যটক হয়রানি বন্ধ ও নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন ও টুরিস্ট পুলিশ।
দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততার মধ্যেও একটু সুযোগ পেলেই প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটাতে চায় সবাই। তাই এই লম্বা ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ছুটছে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। আর এদিকে পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত কক্সবাজার শহর।
--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : অবশেষে লোহার গারদে জিনের বাদশা
--------------------------------------------------------
কক্সবাজার হোটেল মালিক সমিতির মুখপাত্র আবু তালেব শাহ বলেন, বিপুলসংখ্যক পর্যটক আগমনকে ঘিরে সৈকত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে হবে।
এ বিষয়ে আরটিভি অনলাইনকে টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বী জানান, পর্যটক হয়রানি বন্ধ ও পর্যটন স্পটে নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৈকত এলাকায় পোশাকধারী পুলিশ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেবে। হোটেল, মোটেলগুলোর সামনেও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা থাকবে। এছাড়া ঝাউবন এলাকা যেহেতু একটু নির্জন, সেখানে ছিনতাইয়েরে মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে। এজন্য সাদা পোশাকধারী পুলিশ সেখানে থাকবে।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম আরটিভিকে বলেন, এরইমধ্যে ২১টি স্টার হোটেল দেশি-বিদেশি পর্যটকরা বুকিং দিয়ে রেখেছেন। মাঝারি মানের হোটেলগুলোর ৪০ শতাংশ রুম বুকিং হয়ে পড়েছে। আশা করা যাচ্ছে সন্ধ্যার মধ্যেই সব হোটেলের রুম বুকিং হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, গতকাল রাতে কক্সবাজারে একপশলা বৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে রাস্তা-ঘাটে কোনো ময়লা নেই। এখন পরিবেশ আরও মনোরম। পর্যটকরা এসে মুগ্ধ হবেন। রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে কিছুদিন ধরে হোটেল মালিকরা লাভবান হতে পারছিল না। কিন্তু এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকায় কোনো ধরনের সমস্যা হবে না বলেই আমরা আশা করছি।
আবুল কাশেম আরটিভি অনলাইনের মাধ্যমে সকল পর্যটককে কক্সবাজারে আগমনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন :
জেবি/জেএইচ



