
বাগেরহাটের কচুয়ায় চাঞ্চল্যকর তিন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি কালো রঙের মোবাইল ফোন ও একটি মোবাইল ফোনের চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, কচুয়া থানার চান্দেরকোলা গ্রামের বাসিন্দা চন্দ্রসেকোনা এলাকায় গত ২ আগস্ট রাত থেকে ৪ আগস্ট ভোর পর্যন্ত একই পরিবারের তিন সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ৪ আগস্ট বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে কচুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
ঘটনার পর বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস দল ও কচুয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুই আসামি আসাদুল শেখ ও মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফোনের চার্জার উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পর থেকে পুলিশ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করে আসছিল। প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ ও মাঠপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তার তিন আসামির মধ্যে জাহিদুল ইসলামের পিতার নাম মৃত মজিদ হাওলাদার এবং আসাদুল শেখের পিতার নাম মৃত সুলতান শেখ। অপর আসামি মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুর পিতার নাম বারিক হাওলাদার। তারা বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরকোলা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, পরকীয়া প্রেমের কারণেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আরটিভি/টিআর




