ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভিমরুলের আক্রমণে প্রাণ গেল ৪ বছরের শিশুর

স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ভিমরুলের আক্রমণে নুরুল হক (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

নিহত নুরুল হক উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শালবাগান এলাকার ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে।

আহত ফাতেমার (১১) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অপর শিশু তাসমিন (৩) চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত ফাতেমা একই এলাকার ছিদ্দিক আহমেদের মেয়ে এবং আহত তাসমিন রাসেলের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, বাড়ির পাশে খেলছিল তিন শিশু। এ সময় হঠাৎ একঝাঁক ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তিন শিশুকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুল হককে মৃত ঘোষণা করেন।

হারবাং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সইউপি সদস্য সরওয়ার ওসমান খোকা বলেন, ভিমরুলের কামড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। খবর পেয়ে আমরা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিয়েছি।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাছের ঘেরে পড়েছিল বাপ্পি, ঘাড়ের ডান পাশে গুলি ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন 
খুলনায় মাছের ঘের থেকে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মাছের ঘেরে পড়েছিল বাপ্পি, ঘাড়ের ডান পাশে গুলি ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন 
আবাসিক হোটেলের বাথরুমে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হতো খাঁটি মধু, অতঃপর...
ফেনীতে একটি আবাসিক হোটেলের ছয়তলার বাথরুমে চুলা ও গ্যাস সিলিন্ডার বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হতো ভেজাল মধু। ২ কেজি আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে তৈরি করা হতো এই তথাকথিত ‘খাঁটি মধু’।
আবাসিক হোটেলের বাথরুমে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হতো খাঁটি মধু, অতঃপর...
৫০ শয্যার হাসপাতাল: এক্স-রে আছে-ফিল্ম নেই, জেনারেটর আছে-তেল নেই
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার অবকাঠামো থাকলেও ৩১ শয্যার জনবল ও ব্যবস্থাপনায় চলছে সেবা কার্যক্রম। দীর্ঘদিনের জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনায় চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা।
৫০ শয্যার হাসপাতাল: এক্স-রে আছে-ফিল্ম নেই, জেনারেটর আছে-তেল নেই
হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকের পাশে লাশ মাটিচাপা দিয়ে সবজির চারা লাগানোর অভিযোগ
সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধের জেরে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নারী রেহানা পারভীনকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকের পাশে মাটিচাপা দিয়ে মরদেহের ওপর সবজির চারা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই বছর পর আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্ত শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রেহানার স্বামী আওলাদ হোসাইনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক তানভীর হাসান খান। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, আওলাদের দুই বোন পাপিয়া আক্তার ও মাকসুদা বেগম, চাচাতো ভাই কবীর হোসাইন এবং চাচা আমজাদ হোসাইন। আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য আগামী ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন। চার্জশিটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ জুন ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে আসেন রেহানা পারভীন। ২৯ জুন দেশে ফেরেন তার স্বামী আওলাদ হোসাইন। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বিপুল সম্পত্তি এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে রেহানাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ জুলাই সন্ধ্যার পর রেহানাকে আশুলিয়ার নয়ারহাট চৌরাপাড়ায় আওলাদের বোন পাপিয়ার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রেহানাকে মেঝেতে ফেলে দেন অভিযুক্তরা। এরপর আমজাদ তার পা এবং কবীর দুই হাত চেপে ধরেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে আওলাদ রেহানার পেটের ওপর বসে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। হত্যার পর ওই রাতেই পাপিয়ার বাড়ির সামনে সেপটিক ট্যাংকের পাশে গর্ত করে রেহানার মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। পরে ঘটনা গোপন করতে ওই স্থানে সবজির চারা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। রেহানার নিখোঁজের ঘটনায় তার মা আইরিন আক্তার অপহরণ মামলা করেন। পরে ১২ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় রেহানার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলাটি হত্যা ও মরদেহ গুমের ধারায় রূপান্তর করা হয়। মামলায় গ্রেপ্তার পাপিয়া, কবীর ও আমজাদ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া রেহানার নাবালিকা মেয়েও তার বাবার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের পর আওলাদ অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়ে যান। তবে সেখানেও তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে মামলা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়া এবং তদন্ত প্রভাবিত করতে ৯০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পাঠানোর অভিযোগে সম্প্রতি ব্রিসবেন থেকে আওলাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ভুয়া মৃত্যু সনদ ব্যবহার করে রেহানার অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। বর্তমানে আওলাদ অস্ট্রেলিয়া পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মামলায় আমজাদ ও কবীর কারাগারে রয়েছেন। আর জামিনে রয়েছেন দুই বোন পাপিয়া ও মাকসুদা। আরটিভি/এসকে
হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকের পাশে লাশ মাটিচাপা দিয়ে সবজির চারা লাগানোর অভিযোগ
অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মহাসড়কে মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রায় চার ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশ থেকে আঘাতের চিহ্নসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 
অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মহাসড়কে মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
আরও পড়ুন
অপহরণের ৪ ঘণ্টা পর মহাসড়কে মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
‘গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, শিগগিরই আরও উন্নতি হবে’
গোসলে গিয়ে আর ফেরা হলো না শাহীনের 
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ