ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

তিন ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
গ্রেপ্তার আবুল বাশার। ছবি: আরটিভি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় তিন ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে আবুল বাশার (৩৩) নামে মাদরাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তার আবুল বাশার কোটচাঁদপুর উপজেলার হরিন্দিয়া গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি কোটচাঁদপুর পৌরসভার দুধসর এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম মাদরাসার প্রধান শিক্ষক। অভিযোগকারী তিন শিক্ষার্থী ওই মাদরাসার আবাসিক ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। সোমবার এক শিক্ষার্থীর দাদা মাদরাসায় গেলে ওই শিক্ষার্থী তার কাছে বিষয়টি জানায়। পরে দাদা বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।

এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যার পর মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আবুল বাশারকে আটক করে। পরে রাতে ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে, যা কোনো অভিভাবকের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না। আমি এর বিচার চাই।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, গত কয়েকদিনে মাদরাসার তিন শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক বলাৎকার করেন। এক শিক্ষার্থী তার দাদার কাছে বিষয়টি জানালে পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে ওই শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আবুল বাশারের কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক হারবাল ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ (বলাৎকার) মামলা করেছেন। আবুল বাশারকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ, পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই
শেরপুরের শ্রীবরদীতে খালের ভেতর ড্রামবন্দী অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহত নারীর নাম ঝিনুক (২৮)। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার শাকিলের মেয়ে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহনীয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুটেমনি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে সেতু দিয়ে চলাচলের সময় কয়েকজন পথচারী খালের মধ্যে একটি ড্রাম দেখতে পান। ড্রামের মুখ খোলা থাকায় তারা ভেতরে মানুষের শরীরের অংশ দেখতে পেয়ে কাছে যান। পরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু করে পিবিআই। প্রযুক্তির সহায়তায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে হত্যার পর মরদেহ ড্রামে ভরে সেতুর নিচে ফেলে রাখা হয়েছে। শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। পিবিআই বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সাহায্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। তার ঠিকানা গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় হলেও সেখানে গিয়ে স্বজনদের পাওয়া যায়নি। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ঠিকানায় থাকেন না। দ্রুতই নিহতের পরিবারের সন্ধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ ও পিবিআই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আরটিভি/টিআর
শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ, পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই
বিয়ের আসর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা বরের মোটরসাইকেল চুরি
যশোরের মণিরামপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে বরের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বিয়ের আসর থেকে পুলিশ কর্মকর্তা বরের মোটরসাইকেল চুরি
নোয়াখালীর চাটখিলে সাংবাদিক এস কে সৌরভের ওপর হামলার অভিযোগ
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের দেলিয়াই বাজারে ভাগিনার সঙ্গে এক মোটরসাইকেল চালকের বিরোধের জেরে এসএ টিভির সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার এস কে সৌরভের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৫-২০ জনের একটি দল তাকে মারধর করে এবং তাকে ও তার ভাগিনাকে হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
নোয়াখালীর চাটখিলে সাংবাদিক এস কে সৌরভের ওপর হামলার অভিযোগ
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য কেন্দ্র, অথচ চিকিৎসকই নেই
গর্ভবতী নারী ও শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। ১০ শয্যার এই কেন্দ্রটির বয়স এখন ৫৮ বছর। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে এর কার্যক্রম। শিশু বিশেষজ্ঞ, অ্যানেসথেসিয়া বিশেষজ্ঞ ও মেডিকেল অফিসার—কেউই নেই। নেই আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন, পর্যাপ্ত ওষুধ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা। ফলে চিকিৎসা নিতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেক রোগীকে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে যাচ্ছেন বেসরকারি ক্লিনিকে। কেন্দ্রটিতে বর্তমানে একজন পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা দায়িত্ব পালন করছেন। তাকেই ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠিত সরকারি এই কেন্দ্রের এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় গর্ভবতী নারীরা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে নিরাপদ মাতৃত্বসেবা ব্যাহত হচ্ছে। মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌরসভাসংলগ্ন টিকিকাটা ইউনিয়নে ৬৮ শতক জমির ওপর ১০ শয্যাবিশিষ্ট কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়েনি শয্যাসংখ্যা। এদিকে বেড়েছে জনসংখ্যা, বেড়েছে চিকিৎসাসেবার চাহিদা। কেন্দ্রটিতে বিনা মূল্যে সন্তান প্রসবসহ নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন সেবা দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে এসব সেবা ব্যাহত হচ্ছে। নেই রোগনির্ণয়ের পরীক্ষাগার ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। ফলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যও রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে তাদের চিকিৎসাব্যয়। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে জনবলসংকট প্রকট। আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে ১০টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন। এ কেন্দ্রে দুজন মেডিকেল অফিসার, একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, একজন ফার্মাসিস্ট, চারজন পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা, একজন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক থাকার কথা। অন্যদিকে, মিরুখালী ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রেও ১০টি পদের বিপরীতে কোনো কর্মী নেই। টিকিকাটা ইউনিয়ন মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রে পাঁচটি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা, একজন নার্স ও একজন পিয়ন-কাম-চৌকিদার। ফলে কেন্দ্রটিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আরেকজন নার্সের পদ শূন্য রয়েছে। জনবলসংকটে ব্যাহত হচ্ছে কেন্দ্রটির স্বাভাবিক কার্যক্রম। আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের সুমাইয়া আক্তার নামের এক গর্ভবতী নারী বলেন, এখানে ডাক্তার দেখাতে এসে দেখি, চিকিৎসা নেওয়ার মতো ডাক্তার ও পরিবেশ নেই। এভাবে পরপর দুই দিন এসে ফিরে গেছি। পরে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছি। মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণকেন্দ্রের পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা মৌসুমী রানী হালদার বলেন, একাই তাকে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। মাসে ১৫ থেকে ২০টি স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) হয়। জনবল ও অবকাঠামোগত সংকটের মধ্যেও যথাসম্ভব সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. সোহাগ হোসেন জনবলসংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, জনবল না থাকায় ছোটখাটো সেবা দিতেও সমস্যা হচ্ছে। অনুমোদিত পদের তুলনায় প্রতিটি কেন্দ্রেই জনবল কম রয়েছে। জনবল ঠিক থাকলে স্বাভাবিক প্রসবসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া সহজ হতো এবং মায়েরা এসব কেন্দ্রমুখী হতেন। তিনি আরও বলেন, সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য কেন্দ্র, অথচ চিকিৎসকই নেই
ফেসবুকে ‘পিস্তলের’ ভিডিও দিলেন এনসিপি নেতা, মুহূর্তেই ভাইরাল
পাবনার সাঁথিয়ায় মুজাহিদ ফকির নামের এক এনসিপি নেতার ফেসবুক স্টোরিতে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ভিডিওটি আপলোড করার প্রায় এক ঘণ্টা পর তা মুছে ফেলা হলেও, ইতোমধ্যে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। মুজাহিদ ফকির সাঁথিয়া পৌর এনসিপির সদস্যসচিব। ভিডিওটিতে দেখা গেছে, দুইজন ব্যক্তির হাত ও পায়ের অংশ দৃশ্যমান। এদের মধ্যে একজন মেঝতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার পর অন্যজন সেটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছেন। তবে ভিডিওতে কারও মুখমণ্ডল স্পষ্ট নয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুজাহিদ ফকিরের সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। সাঁথিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. বকুল বলেন, কয়েকদিন ধরেই মুজাহিদের মোবাইলফোনটি বন্ধ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশের ব্যাপারে আমি বিস্তারিত কিছু জানি না, ভিডিওটি দেখিনি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি শুনতে পেয়েছি। খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাতে পারব। সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম বলেন, ‌যে ধরনের অস্ত্রই হোক, এভাবে প্রদর্শন করার উদ্দেশ্য জনমনে ভীতি বা আতঙ্ক সৃষ্টি করা বলে আমরা মনে করছি। কিছুদিন আগে সরকারের এক প্রতিমন্ত্রী ভালো কাজে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করলেও তাকে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক নেতা হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঝে মাঝেই এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করছেন মুজাহিদ ফকিরসহ কয়েকজন। দ্রুতই এদের বিষয়ে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, মুজাহিদ ফকির এর আগেও ফেসবুকে আগ্নেয়াস্ত্রের ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছিলেন। তবে সে সময় পুলিশের তদন্তে সেটি খেলনা পিস্তল বলে প্রমাণিত হয়েছিল। এবার যে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি আসল কোনো আগ্নেয়াস্ত্র কি-না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
ফেসবুকে ‘পিস্তলের’ ভিডিও দিলেন এনসিপি নেতা, মুহূর্তেই ভাইরাল
আরও পড়ুন
স্কুলছাত্রকে রুমে ডাকতেই ‘আসল চেহারা’ বেরিয়ে আসে ইমামের! 
দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী
এনসিপি ল্যাপটপ-ছাগল চোরদের দল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খান
ইশরাকের পদত্যাগ সাংবিধানিক, আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল