ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অন্ধকারে ৭০ পরিবার

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ এএম
ছবি: আরটিভি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ২২ ঘণ্টারও বেশি সময় অন্ধকারে রয়েছেন ৭০ পরিবার। তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদ গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর আওতাধীন উপজেলার জোরারগঞ্জ, ধুম, ওসমানপুর ও মিরসরাই সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে রাতের আঁধারে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটি চক্র। একের পর এক ট্রান্সফরমার চুরি হলেও চক্রের কাউকে এখনো পর্যন্ত আটক করতে পারেনি পুলিশ। এসব এলাকার মানুষ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বিদ্যুৎবিহীন থাকা পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মো. ওয়াজি উল্যাহ বলেন, বুধবার ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে ওঠার পর বিদ্যুৎ চলে যায়। বর্তমানে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে প্রথমে এটিকে স্বাভাবিক লোডশেডিং মনে হলেও সকালে জানতে পারি, গ্রামের ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়ে গেছে।

চৈতন্যেরহাট এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক বলেন, কিছুদিন পূর্বে আমাদের এলাকার ট্রান্সফরমার চুরি হয়। সবাই টাকা তুলে আবার কিনে স্থাপন করি। কিন্তু গত সপ্তাহে আবার চুরি হয়। পুলিশের উল্লেখযোগ্য কোনো অভিযান দেখছি না।

তিনি আরও বলেন, টাকা না দিলে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ট্রান্সফরমার লাগাবেন না। অনেকে মধ্যবিত্ত ও দিনমজুর। তাদের পক্ষে এতগুলো টাকা দেওয়া সম্ভব নয়।

মো. কামাল পাশা ও মাস্টার আজম বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির পর থেকে এলাকার মসজিদের মুসল্লিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকের ফ্রিজে থাকা খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ছোট্ট শিশুদের নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন মহিলারা।

তারা আরও বলেন, চুরির বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে জানালে নতুন ট্রান্সফরমারের জন্য প্রায় ৮৭ হাজার টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে। টাকা জমা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে গ্রামের অধিকাংশ মানুষই নিম্নআয়ের হওয়ায় হঠাৎ করে এত টাকা জোগাড় করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, একটি ৫ কেভিএ ট্রান্সফরমারের মূল্য প্রায় ৫৩ হাজার টাকা, ১০ কেভিএর প্রায় ৮৩ হাজার টাকা, ১৫ কেভিএর ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা এবং ২৫ কেভিএর একটি ট্রান্সফরমারের মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। কোনো এলাকায় প্রথমবার ট্রান্সফরমার চুরি হলে নতুন ট্রান্সফরমার পেতে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের মূল্যের অর্ধেক পরিশোধ করতে হয়। তবে একই এলাকায় দ্বিতীয়বার ট্রান্সফরমার চুরি হলে পুরো মূল্যই গ্রাহকদের বহন করতে হয়। ফলে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় শুধু বিদ্যুৎ বিভ্রাটই নয়, ভুক্তভোগীদের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপও তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর ডিজিএম আদনান আহমদ বলেন, পশ্চিম কিছমত জাফরাবাদে ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছি। তাদের বলা হয়েছে, ট্রান্সফরমারের একটা মূল্য আছে। ওই মূল্য পরিশোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সফরমার বসানো হবে।

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধা গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের বৃষ্টি হোটেলের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতুলিয়াপাড়ার আজাহার আলীর ছেলে জুলাই যোদ্ধা হাছান আলী (৩৭) এবং একই উপজেলার শালদাইর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ও গোবিন্দাসী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য জুলাই যোদ্ধা মাহমুদুল হাসান (৩৪)। পুলিশ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫০ পিস করে মোট ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি, জুলাই যোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় জুলাই যোদ্ধার প্রভাব খাটিয়ে তারা প্রশাসনকে চাপে রাখতেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উপপরিদর্শক রাইজ উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গার একটি হোটেলসংলগ্ন এলাকা থেকে দুই জুলাই যোদ্ধাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, গাবসারা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে এসে এলেঙ্গায় বিক্রির জন্য ক্রেতার অপেক্ষায় ছিলেন। আরটিভি/টিআর
ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধা গ্রেপ্তার
পুলিশ দেখেই ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন চালক, অতঃপর...
টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় চালককে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছে একদল ডাকাত। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে ৫ থেকে ৭ জন পালিয়ে যায়। পরে গাড়ি থেকে দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। চালক মো. খোরশেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে গাড়িটি রিজার্ভ করা হয়। পরে চন্দ্রাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি গাড়িতে ওঠেন। চালকের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিছুদূর যাওয়ার পর ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্রের মুখে তাঁকে জিম্মি করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী গাড়ি চালাতে বাধ্য হন তিনি। একপর্যায়ে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে প্রায় ২০০ গজ পূর্বে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা গাড়িটিকে দেখতে পান। পুলিশ দেখে চালক ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করে সাহায্য চান। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের দুই কনস্টেবল দ্রুত গাড়িটির দিকে এগিয়ে গেলে গাড়িতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি নেমে বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে আতঙ্কিত অবস্থায় চালক মো. খোরশেদকে উদ্ধার করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র, মাইক্রোবাস ও চালককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিহাতী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
পুলিশ দেখেই ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন চালক, অতঃপর...
ক্লাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২৫ শিক্ষার্থী
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে ২৫ শিক্ষার্থী। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থতা বোধ করতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব দেখা দিলে একে একে ২৫ জন শিক্ষার্থী ঢলে পড়ে। এতে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা দ্রুত অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র গরম অথবা সাইকোলজিক্যাল (গণ-মনস্তাত্ত্বিক) কোনো কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে অধিকাংশ রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং চিকিৎসকেরা সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। আরটিভি/টিআর
ক্লাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ২৫ শিক্ষার্থী
বিনামূল্যে বিতরণের এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার, আটক ১
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নবম ও দশম শ্রেণির বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার করেছে প্রশাসন। এ সময় ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহিমকে আটক করা হয়। দুটি ভ্যানে করে বাড়ি থেকে বইগুলো অন্যত্র পাচার করছিলেন তিনি। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নরকোনা গ্রামের ইব্রাহিমের বাড়ি থেকে বইগুলো উদ্ধার করা হয়। মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বাবুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, ইব্রাহীম হোসেন মাঝে মধ্যেই মধুপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের গুদাম থেকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বিনামূল্যের পাঠ্যবই কেজি দরে কিনে এনে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার তিনি কয়েক ভ্যান পাঠ্যবই ওই গুদাম থেকে কিনে আনেন। এরপর বাড়িতে রেখে বুধবার অন্যত্র পাচারের চেষ্টা করেন। সন্দেহবশত গ্রামের কয়েকজন যুবক খোঁজ নিয়ে দেখতে পান, সবই নবম-দশম শ্রেণির বিনামূল্যের পাঠ্যবই। পরে তারা স্থানীয় সংবাদকর্মী, থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নঈম উদ্দীন ঘটনাস্থলে যান। তারা পাঠ্যবই জব্দ করেন এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেনকে আটক করে থানায় পাঠান। ভাঙারি ব্যবসায়ী ইব্রাহীম হোসেন জানান, তিনি মধুপুর শিক্ষা অফিসের অনুমোদন সাপেক্ষে নাইটগার্ড তোফায়েল আহমেদের সহযোগিতায় গুদাম থেকে এসব বই কেজি দরে কিনে এনেছেন। কাজেই তার কোনো দোষ নেই। বই বিতরণের দায়িত্বে থাকা একাডেমিক অফিসার মো. মহিউদ্দীন জানান, তার অগোচরে নাইটগার্ড এ কুকর্ম করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিনামূল্যের এসব পাঠ্যবই কীভাবে, কোথা থেকে এলো, তা তদন্ত করে দেখা হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাবুল হাসান বাদী হয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আরটিভি/টিআর
বিনামূল্যে বিতরণের এক টন পাঠ্যবই উদ্ধার, আটক ১
নোয়াখালীর সেই স্কুলে এক সপ্তাহে ৪৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ
নোয়াখালীর হাতিয়ার জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সপ্তাহে তিন দফায় ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এর কারণ খুঁজে বের করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ
নোয়াখালীর সেই স্কুলে এক সপ্তাহে ৪৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ
আরও পড়ুন
প্রবাসে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে মারা গেলেন বড় ভাইও
ফটিকছড়িতে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ৫ গ্রাম
চট্টগ্রামের কারাগারে বন্দি ১৯৮ বিদেশি নাগরিক, অপরাধ কী?
চলন্ত অটোরিকশায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশুর মৃত্যু