ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
কর্ণফুলী নদীতে ডুবে নিহত সাজিদ শাহরিয়ার। ছবি: সংগৃহীত

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীতে ডুবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার সীতারঘাট এলাকায় পা পিছলে তিনি নিখোঁজ হন। পরে বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা কর্ণফুলী নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মো. সাজিদ শাহরিয়ার (২৪)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি বন্ধুদের সঙ্গে কাপ্তাই বেড়াতে এসেছিলেন।

নিহত সাজিদ শাহরিয়ারের সহপাঠী নাজমুল হাসান জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে সাজিদ ও তার আট বন্ধু কাপ্তাই যান। এরপর তারা কাপ্তাই সীতা পাহাড় ট্র্যাকিংয়ে যান। পাহাড় থেকে ফিরে তারা কর্ণফুলী নদীতে হাত মুখ ধুতে যান। এ সময় সাজিদ পা পিছলে নদীতে পড়ে স্রোতের টানে ভেসে যান।

এ দুর্ঘটনার পর সাজিদের বন্ধুদের আহাজারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে সাজিদের এক বন্ধুকে দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে শোনা যায়। আলোকিত কাপ্তাই নামের একটি ফেসবুক পেজে এ ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওতে সাজিদের এক বন্ধুকে বলতে শোনা যায়, ‘হঠাৎ পা পিছলে সাজিদ পানিতে পড়ে যায়। এরপর সে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল। কিন্তু আমরা কেউ সাঁতার জানি না। এ কারণে আমরা নদীতে নেমে তাকে বাঁচাতে পারিনি।’

​কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বেলা দুইটার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৪০ ফুট দূরে তার লাশ পাওয়া যায়।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলের কথা বলে নদীতে নামে ৪ বন্ধু, ৩ জনের করুণ পরিণতি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ তিন স্কুলশিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার বিকেলে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীরা হলো—সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের বাড়ি মজলিস এলাকার মো. ফারুকের যমজ দুই ছেলে আরিফিন (১৫) ও আশিকিন (১৫) এবং একই এলাকার আব্দুল আলীমের ছেলে আবির (১৪)। নিহত যমজ দুই ভাই স্থানীয় মোগরাপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি সরকারি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এবং আবির একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় চার সহপাঠী। পরে তারা মেঘনা নদীর ভাটিবন্দর এলাকায় গিয়ে জড়ো হয়। দুপুর পৌনে একটার দিকে চারজন একসঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে। কিন্তু নামার অল্প সময়ের মধ্যেই নদীর তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে তিনজন পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় তাদের চতুর্থ বন্ধু আদিয়ান ফারিজ কোনোমতে সাঁতরে তীরে উঠে প্রাণে বাঁচে। নদীতে বন্ধুদের ভেসে যেতে দেখে আদিয়ানের কান্নাকাটি ও চিৎকারে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশকে জানান। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর বিকেলে নদী থেকে তিন শিক্ষার্থীর মরদেহই উদ্ধার করেন ডুবুরিরা। উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নদী থেকে তিন শিক্ষার্থীরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’ আরটিভি/টিআর
স্কুলের কথা বলে নদীতে নামে ৪ বন্ধু, ৩ জনের করুণ পরিণতি
টয়লেটের গ্রিল কেটে চীনা কর্মকর্তার ঘরে ঢোকে তিনজন, অতঃপর...
ঢাকার ধামরাইয়ে একটি চীনা মালিকানাধীন ব্যাটারি কারখানার চীনা কর্মকর্তাকে রশি দিয়ে বেঁধে লকার থেকে নগদ ৭০ লক্ষ টাকা লুট করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। তবে এই ঘটনার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলিশ্বর এলাকায় ‘জিয়াংশু স্টোরেজ ব্যাটারি বিডি কোং লি.’ নামে ওই কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। কারখানার কর্মকর্তাদের দাবি, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ইনচার্জ ও ক্যাশিয়ার লি পেংগুই তার নিজের শয়নকক্ষে ঘুমাতে যান। রাত সোয়া ১২টার দিকে অন্তত তিনজনের একটি দল কারখানার পেছনের টয়লেটের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে। তাদের মুখে মাস্ক ছিল। আর কারখানার পেছনের অংশে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। কারখানায় ঢুকে তারা চীনা কর্মকর্তাকে গলায় ছুড়ি ধরে তার হাত-পা রশি দিয়ে বেধে ফেলে। তার কাছ থেকে চাবি নিয়ে লকারে রাখা ৭০ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়। কারখানার ইনচার্জ ও ক্যাশিয়ার লি পেংগুইর বলেন, ‘আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে বাথরুমের জানালা দিয়ে ঢুকে প্রথমে আমার গলায় ছুরি ধরেছে, এরপর বলেছে চাবি দাও। তখন চাবি নিয়ে লকার থেকে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে চলে গেছে। চেহারায় মাস্ক পরা ছিল। আর আমার হাত-পা বাঁধা ছিল।’ কারখানার ম্যানেজার বলেন, ‘আমাদের কারখানার নাম জিয়াংশু স্টোরেজ ব্যাটারি কোম্পানি লিমিটেড। আমি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছি। শনিবার রাতে ১২টার দিকে বাথরুমের গ্রিল কেটে চায়নিজকে হাত-পা বেধে গলায় চাকু ধরে লকার খুলে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ওই পাশে কোনো ক্যামেরা নেই।’ ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘শনিবার রাত ১২টার পরে সুতিপাড়া ইউনিয়নের বেলিশ্বর এলাকায় একটি ব্যাটারি কারখানায় দোতলায় তিনজন ঢুকে চায়নিজ নাগরিককে বেধে লকার থেকে ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। খুব দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।’ আরটিভি/এসএস
টয়লেটের গ্রিল কেটে চীনা কর্মকর্তার ঘরে ঢোকে তিনজন, অতঃপর...
শাকিলের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের ভারতীয় অংশে পড়ে থাকা বাংলাদেশি শিশু মো. শাকিলের (১৪) মরদেহ নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে সীমান্তের লংকা মোড়া এলাকায় এ মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহত শাকিল আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবুল বাসার ওরফে মালু মিয়ার ছেলে।  পরিবারের সদস্যরা জানান, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শাকিলের বলে শনাক্ত করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আলোচনা হয়। মরদেহটি ভারতীয় ভূখণ্ডে থাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে রোববার বিকেল ৫টার দিকে বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, শিশুটি কীভাবে সীমান্তের ওই এলাকায় গেল এবং তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কসবা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাজমুস সাকিব জানান, মরদেহ হস্তান্তরের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, মরদেহটি ভারতীয় অংশে থাকায় বিজিবি-বিএসএফ এবং দুই দেশের পুলিশের আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে বিএসএফ মরদেহটি বাংলাদেশি পুলিশ ও বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে। আরটিভি/এসএস
শাকিলের মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ
অপ্রতিম হত্যার বিচারের বিষয়ে যা জানাল পুলিশ
কুমিল্লায় আলোচিত কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আদালতে আবেদন করার কথা জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
অপ্রতিম হত্যার বিচারের বিষয়ে যা জানাল পুলিশ
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী যুবকদের দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পঞ্চগড়-১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত এলাকায় মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়ারিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কর্মশালা শেষে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ভজনপুর দ্বি- মুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া সীমান্ত এলাকার ৩৩ জন বেকার যুবকের হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন বিজিবি'র ঠাকুরগাঁও সেক্টর সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ।  এ সময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক জিয়াউর রহমান, ভজনপুর দিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম জিল্লুর, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) প্রশিক্ষকসহ বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ে সদস্যরা। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ তার বক্তব্যে বলেন, বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক। বিজিবির প্রতিটি সদস্য সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্রপাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে অত্যন্ত পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।  একইসঙ্গে সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণেও বিজিবি মানবিক ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী জনগণের কল্যাণে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এ প্রশিক্ষণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য, যাতে তারা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজ এলাকায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিজিবির পারস্পরিক আস্থা ও সম্পৃক্ততা আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর আগে, ২৩ আগস্ট বিজিবির ভজনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। আরটিভি/এসএস
সীমান্তের যুবকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দিল বিজিবি