ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ভিডিও ভাইরালের’ হুমকি দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না সেই এনসিপি নেতার 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
জাহিদ মুন্সি। ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে জাহিদ মুন্সি (২৬) নামে এক এনসিপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এই সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন। মামলা হওয়ার পর দল থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে জাহিদের সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী নারীর।

পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ। এসময় ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিওধারণ করে রাখেন তিনি।

পরে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট ও সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ অন্যান্য স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এরপর ওই কলেজছাত্রী জাহিদকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে মারধর করেন তিনি। পরে ওই নারী বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে।

পরে ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে ১২ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে জানতে জাহিদের সঙ্গে মোবাইলে ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির গাজীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এম শোয়াইব বলেন, এনসিপির গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) বিরুদ্ধে দলীয় নীতি, আদর্শ ও নৈতিকতার পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামি জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
ফেরি করে মাদক বিক্রি, ক্রেতার বদলে মিলল ‘যমের দেখা’
পুনর্গঠন হচ্ছে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি, আসছে বড় পরিবর্তন
কিশোরীর পেটব্যথা কমাতে মাকে তেল-পানি আনতে পাঠান মাদরাসার প্রিন্সিপাল, অতঃপর...