ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ভাগ্নেবউয়ের ঘরে ঢুকে নিজেকে ‘থামাতে পারলেন না’ মামাশ্বশুর, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
গ্রেপ্তার হাসান মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের পীরগঞ্জে ভাগ্নেবউকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে হাসান মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ২৫ মিনিটে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে এসআরবি।

গ্রেপ্তার হাসান মিয়া পীরগঞ্জ উপজেলার বেড়াখাই গ্রামের মৃত আইজার রহমানের ছেলে।

এসআরবি সূত্রে জানা যায়, হাসান মিয়া ভুক্তভোগী গৃহবধূর মামাশ্বশুর। বাড়ি পাশাপাশি হওয়ায় তিনি ওই গৃহবধূকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই নারীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হতো বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গত ১২ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজ বাড়ির একটি ঘরে শুয়ে ছিলেন। এ সময় হাসান মিয়া ওই ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ওই নারী চিৎকার শুরু করলে হাসান মিয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর পীরগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পর হাসান মিয়া গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান।

এসআরবি জানায়, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তারে এসআরবি-১৩ রংপুরের পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। পরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩ রংপুর ও এসআরবি-১ গাজীপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল গাজীপুরে অভিযান চালায়।

অভিযানে বোর্ডবাজার এলাকা থেকে পীরগঞ্জ থানার ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি হাসান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।

তিনি আরও জানিয়েছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাসহ হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
পীরগঞ্জে পৌরসভার নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২
কিশোরীর পেটব্যথা কমাতে মাকে তেল-পানি আনতে পাঠান মাদরাসার প্রিন্সিপাল, অতঃপর...
অচেতন শিশুকে ফেলে পালাচ্ছিলেন বৃদ্ধ, অতঃপর...
রংপুরে নকল সার কারখানায় অভিযান