
পাবনার ঈশ্বরদীতে কয়েলের আগুন থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শামিম হোসেন নামে এক ব্যক্তির বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের খারজানি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শামিম হোসেন ওই এলাকার আবু বক্করের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ শামীম হোসেনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড দেখতে পেয়ে তারা ছুটে আসেন। যে যার মত পানি, বালু, মাটি নিক্ষেপসহ বিভিন্নভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিস কেও খবর দেওয়া হয়। তবে মুহূর্তের মধ্যেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে গায়ের একটি পোশাকও পোড়া বাকি ছিল না।
ভুক্তভোগী শামিম হোসেন জানান, রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়াতে কয়েল জ্বালিয়েছিলেন। হঠাৎ সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে গোয়ালঘরে আগুন ধরে যায়। পরে মুহূর্তের মধ্যেই। বসতঘর রান্নাঘরসহ পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পরিবারের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে প্রতিবেশীরাও আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেন। সেইসঙ্গে ফায়ারসার্ভিসে খবর দেওয়া হলে তারাও ঘটাস্থলে আসেন। তবে এরইমধ্যে পুরো বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ২টি সোনার গহনা, আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে অন্তত ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হলেও অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে গোয়ালঘরে থাকা কয়েল থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে শামীম হোসেনের পরিবার এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও স্থানীয়দেরও পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আরটিভি/এমএম




