ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে স্টিল কারখানায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
ছবি: আরটিভি

চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ফারম্যাক স্টিল লিমিটেড কারখানায় ফার্নেসের ত্রুটিতে গলিত লোহা ছিটকে দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় চীনা প্রকৌশলীসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বরের এ ঘটনায় চারজন দগ্ধ হন। অপর একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং (৫৩), শ্রমিক শরিফুল ইসলাম (২৭) ও মনির হোসেন (২৭)। শরিফুল ও জেংলিং হং ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে এবং মনির হোসেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ১ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান শরিফুল ইসলাম। একই দিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান মনির হোসেন। সর্বশেষ ২ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং।

নিহত শরিফুল খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। আহত জুয়েল (৩৬) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

এদিকে শরিফুলের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের স্বজন ও কারখানার চীনা-বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হয়।

শরিফুলের চাচা মনির হোসেন জানান, তারা মামলা করতে চান না। পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ চান।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, দুর্ঘটনায় দগ্ধ চারজনের মধ্যে চীনা প্রকৌশলীসহ তিনজন মারা গেছেন। কারখানার প্রতিনিধি ও নিহতের স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাদের আইনি বিষয় জানানো হয়েছে। পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ আইন অনুযায়ী মামলা করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি বয়লার দুর্ঘটনা নয়। ফার্নেসের ত্রুটির কারণে চুল্লি থেকে গলিত লোহা ছিটকে পড়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. দিদারুল আলম ওরফে দিদার মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি ডোংরা গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে। পুলিশের দাবি, দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগঠক ও দলের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারের দাবি, একটি সালিশি বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিদার মেম্বারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, গ্রেপ্তার দিদারুল আলমকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরটিভি/টিআর
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
মোংলা পোর্ট পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই রাতের বেলায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ছাগল পরিবহন করা হয়।  জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার জিরো পয়েন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. শরীফুল ছাগলগুলো অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। তাৎক্ষণিক একজন সেটার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়েন, যা ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পরে সেখান থেকে ছাগলগুলো মোংলায় আনা হয়। ছাগলগুলো ছিল মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদের। টাকার বিনিময়ে শরীফুল প্রায়ই অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  এ ব্যাপারে অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুল বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনা এটাই প্রথম। ছাগল পরিবহন বাবদ তিনি কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেছেন।  ছাগল ব্যবসায়ী কসাই রশিদ বলেন, আমি চুকনগর থেকে ছাগল কিনে জিরো পয়েন্টে আসি। সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে ৬টি ছাগল অ্যাম্বুলেন্সে করে মোংলায় নিয়ে আসি। এ বাবদ ড্রাইভারকে আমি কোনো টাকা দিইনি।  এদিকে, এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুলের কাছ থেকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) চাবি নিয়ে নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।  এ বিষয়ে জানতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমীর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। আরটিভি/এসআর
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়েও সন্ধান মেলেনি অপহৃত ২১ জেলের
সুন্দরবনে তিনটি বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ২১ জেলেকে পাঁচ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে অপহৃত জেলে ও বনদস্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে কোস্টগার্ড। তবে, সন্ধান মিলছে না।  যার ফলে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন সুন্দরবনসহ উপকূলে মাছ ধরা সাধারণ জেলেরা। উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অপহৃতদের পরিবারের সদস্য ও মহাজনরা।  কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিপণের দাবিতে তিনটি বনদস্যু বাহিনীর হাতে অপহৃত ২১ জেলেকে উদ্ধারে ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু হয়েছে। সুন্দরবনের আকাশে আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে অপহৃত এসব জেলে ও বনদ্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।  গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর পাশিাপাশি নৌপথেও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড। পাশাপাশি মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের নিরাপত্তায় টহল জোরদারের কথা জানিয়েছে নৌপুলিশ ও সুন্দরবন বিভাগও। গত ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের নারকেলবাড়িয়া, আমরাড়িয়া, ভদ্রা এবং ভাঙ্গা এলাকা থেকে বনদস্যু মজনু, করিম শরীফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদ্যসরা অস্ত্রেও মুখে মাছ ধরা অবস্থায় ২১ জেলেকে অপহরণ করে গহীন অরণ্যে নিয়ে যায়।  এ সময় জেলেদের একটি ট্রলার, পাঁচটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামালও লুট করে দস্যুরা। সুন্দরবনে দুটি দিনে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত এসব জেলেদের পরিবারের কোনও সদস্য বা তাদের মহাজনরা দস্যুদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। কোনোভাবে তা প্রকাশ পেলে সুন্দরবনসহ উপকূলে মাছ ধরাসহ তাদের জীবনের জন্য বড় ধরণের হুমকি আসতে পারে, এমন শঙ্কায় তারা মিডিয়ায় কথা বলতে নারাজ। শনিবার দিনগত রাতে সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়ীয়া ও নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় মাছ ধরার সময় ১৫ জেলেকে তুলে নেয় দস্যুরা। এর আগে শুক্রবার দিনগত রাতে আরও ছয় জেলেকে অপহরণের অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দিনে ২১ জেলে অপহৃত হওয়ার ঘটনায় জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, শনিবার দিনগত রাতে সাগরসংলগ্ন সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়ীয়া ও নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় মাছ ধরছিলেন জেলেরা। এ সময় দস্যুরা বহরে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন নৌকা থেকে একজন করে ১৫ জেলেকে একটি ট্রলারে নিয়ে যায়।  ফরেস্ট রেঞ্জার জানান, অপহৃত ১৫ জেলের মধ্যে ১০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—খুলনার আরিফ (২৫), সগীর (৩৪), মিঠু (৩০) ও ফেরদাউস (২৮); বরগুনার পাথরঘাটা ও তালতলী এলাকার ইব্রাহিম (৩৫), ইমরান (২৫), মোস্তাফিজুর (৩৫), আলামিন (২৮), হানিফ (৩৮) ও মারুফ (৪৯)।  তিনি বলেন, এসব জেলে বন বিভাগের অনুমতিপত্র নিয়ে চরপাটা, পোকা জাল ও বড়শি দিয়ে সুন্দরবনের খালে মাছ ধরছিলেন। এদিকে, মোংলার এক জেলে মহাজন জানান, শনিবার দিনগত রাতে করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের ঝাপসি এলাকার ভদ্রা নদী থেকে দুই জেলেকে অপহরণ করে। তারা হলেন মোংলার উলুকাটা চিলা এলাকার মাসুদ ইজারদার (২৮) ও ইমদাদুল ইজারদার (৩০)। শরণখোলা এলাকার কয়েকজন জেলে মহাজন বলেন, দুই দিনে ২১ জেলে অপহরণের ঘটনায় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অপহৃতদের দ্রুত উদ্ধার এবং সুন্দরবনে দস্যু দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানন, বুববার বিকাল পর্যন্ত অপহৃত ২১ জেলের এখন কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। কোস্টগার্ডসহ নৌপুলিশ উদ্ধার অভিযান চলছে। সুন্দরবনে অবস্থানরত জেলেদের রাতে দলবদ্ধভাবে এবং সংশ্লিষ্ট বন অফিসের সামনে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের সকল স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের জেলেদের নিরাপত্তায় টহল বৃদ্ধির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহাবুব হোসেন জানান, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে কোস্টগার্ড। তারই আলোকে অপহৃত ২১ জেলে উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।  দস্যুদের অবস্থান শনাক্তে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানো হয়েছে। পাশিাপাশি নৌপথেও চিরুনি অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। আরটিভি/এসআর
সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়েও সন্ধান মেলেনি অপহৃত ২১ জেলের
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করেছে নৌপুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বাল্কহেড জব্দের পাশাপাশি এর চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে নড়িয়ার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাল্কহেডে বিপুল পরিমাণ মদ পরিবহন করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় এমভি তাসলিমা নামের একটি বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে বাল্কহেডটির চালক মো. রফিক (৫০) ও সহকারী মো. উজ্জল (২৯)-কে আটক করা হয়। তারা দুজনই পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। পরে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বাল্কহেডটিও জব্দ করে নৌপুলিশ। সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেড থেকে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাল্কহেডের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
জাহাজের ‘কাছে গিয়েও’ ফিরে এলো বনদস্যুরা, ঘটনা কী
পূর্ব সুন্দরবনের কটকা পর্যটনকেন্দ্রের নদীতে নোঙর করে থাকা পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা করেছে একদল বনদস্যু। তবে বনরক্ষীদের প্রতিরোধ ও গুলির মুখে শেষ পর্যন্ত ট্রলার ঘুরিয়ে সাগরের দিকে পালিয়ে যায় তারা। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার তানভির হাসান ইমরান জানান, রাতের দিকে একদল বনদস্যু ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে কটকা নদীতে অবস্থানরত পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে কটকার মোহনায় থাকা জেলেরা মুঠোফোনে বনরক্ষীদের খবর দেন। খবর পেয়ে দ্রুত টহল বোট নিয়ে কটকা নদীর প্রবেশমুখে অবস্থান নেন বনরক্ষীরা। এ সময় দস্যুরা পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা তাদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন। গুলির শব্দে দস্যুরা ট্রলারের দিক পরিবর্তন করে দ্রুত সাগরের দিকে পালিয়ে যায়। কটকা নদীতে নোঙর করা পর্যটকবাহী জাহাজ ‘দি ওয়েভ-২’-এর মাস্টার মো. শামিম আলম বলেন, দস্যুরা জাহাজের দিকে এগিয়ে আসছে—এমন খবর আগেই বনরক্ষীদের কাছ থেকে তাঁরা পেয়েছিলেন। বর্তমানে কটকায় ‘দি ওয়েভ-২’ ও ‘আরাল সী’ নামে দুটি পর্যটকবাহী জাহাজ অবস্থান করছে। দুটি জাহাজে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক রয়েছেন। বনরক্ষীদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে পর্যটকেরা নিরাপদে রয়েছেন বলে জানান জাহাজটির মাস্টার। তবে দস্যুদের উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। আরটিভি/টিআর
জাহাজের ‘কাছে গিয়েও’ ফিরে এলো বনদস্যুরা, ঘটনা কী
আরও পড়ুন
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
নারীর ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর টেনেসির কারাপ্রধানের পদত্যাগ
নতুন উপাচার্যের মন্তব্যের প্রতিবাদে চুয়েটে শিক্ষার্থীদের মিছিল
কুমিল্লায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু