
নীলফামারীর সৈয়দপুরে দায়িত্ব পালন করার সময় মই থেকে পড়ে হায়দার আলী (৪৭) নামে এক বিদ্যুৎকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে নিয়ামতপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় সৈয়দপুর-
দিনাজপুর সড়কের পাশে ইউনিক অটো রাইস মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হায়দার আলী সৈয়দপুর পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ড ওয়াপদা নতুনহাট এলাকার মৃত জোনাব আলীর ছেলে। তিনি নর্দার্ন ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) সৈয়দপুর সরবরাহ ও বিতরণ কেন্দ্রের কর্মসহযোগী হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
জানা গেছে, ইউনিক অটো রাইস মিলের সামনের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের সংযোগ সমস্যার সৃষ্টি হয়। এতে অফিসের নির্দেশে সেখানে এলটি লাগানোর জন্য মিস্ত্রি রাশেদের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করতে যান মো. হায়দার আলী। রাশেদ মইয়ের মাথায় উঠে কাজ করার সময় তাকে তার কাটার যন্ত্র পৌঁছে দিতে একই মই বেয়ে ওঠেন হায়দার। মাঝামাঝি গিয়ে তিনি হঠাৎ মই থেকে রাস্তার উপর পড়ে যান। এতে তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান। এমতাবস্থায় রাশেদ ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান হাসপাতালে নেওয়ার আগেই হায়দার মারা গেছেন।
এ ব্যাপারে নেসকো সৈয়দপুর শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আলিমুল ইসলাম সেলিম বলেন, হায়দার আলী ঠিকাদার কর্তৃক নিয়োজিত লাইন হেলপার ছিলেন। কাজ করার সময় ওই লাইন সম্পূর্ণ সাটডাউন করা ছিল। তাছাড়া তিনি নিচেই ছিলেন এবং উপরে কর্মরত মিস্ত্রি রাশেদকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পৌঁছে দিয়ে সহযোগিতা করছিলেন। এভাবেই একটা যন্ত্র দিতে গিয়ে মইয়ের মাঝখান থেকেই তিনি পড়ে যান। মূলত উপর থেকে শক্ত সড়কের উপর পড়ে যাওয়ায় মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণেই তিনি মারা গেছেন। আমরা তার মৃত্যুতে শোকাভিভূত।
মৃত হায়দার আলী স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ ভাই বোন আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) বাদ এশা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।
আরটিভি/এমএইচজে




