ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

এনসিপি ল্যাপটপ-ছাগল চোরদের দল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। ছবি: আরটিভি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, এনসিপি বর্তমানে ল্যাপটপ চোর, ছাগল চোর ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কারখানায় পরিণত হয়েছে জামায়াত।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এনসিপি ও বিরোধীদের নানা বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অনন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্য মিলেও তার মেধা ও যোগ্যতার ধারেকাছে যেতে পারবেন না। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে তারা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি ইস্যুতেই অন্যায়ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেনে আনছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের আমলে নিজে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং তৎকালীন সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের সাথে সোচ্চার ছিলেন। অথচ জামায়াতের কোনো নেতাকে সেই স্বৈরাচারী জামানায় এভাবে রাজপথে বা বক্তব্যে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।

এনসিপি নেতাদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ছাত্রজীবনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছাগল চুরির ঘটনায় যুক্ত ছিলেন। তাছাড়া এনসিপির বহু নেতা নারী কেলেঙ্কারি, ডিসি নিয়োগে তদবির, থানায় চাঁদাবাজ ছাড়ানো এবং সাবেক এমপির বাসায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির মতো অপরাধের সাথে জড়িত।

এনসিপি ইতিমধ্যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দলটির নীতি ও আচরণ এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সাথে হাত মিলিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, জামায়াত এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং একটি পুনর্বাসন সেন্টারে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঝিনাইদহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বৃহস্পতিবার থেকে আবারও সাজেক সড়ক অবরোধের ঘোষণা
তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে আবারও সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ অবরোধের ঘোষণা দেন। এর আগে বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির অনুরোধে এবং সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান জানিয়ে গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। এর আগে ১১ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ শুরু করা হলে ওই দিন বাঘাইহাট জোন ও প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়াসহ সাজেকবাসীর তিন দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়। পরে অবরোধ স্থগিত করা হয়। এরপর প্রশাসন দাবি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এবং শর্ত ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায় ১৫ অক্টোবর পুনরায় সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ পালন করা হয়। বিবৃতিতে দুই সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো আগের অবস্থানগুলোতেই রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সশস্ত্র গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে সাজেকের মাচলং এলাকার থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়ি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালানো হচ্ছে। শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের ব্যবহৃত মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সাধারণ জুমচাষিরা ভয়ে জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কারের কাজে যেতে পারছেন না। নেতারা বলেন, এলাকার জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা এবং জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সন্ত্রাস ও উৎপাত বন্ধ করতে তাদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। এ লক্ষ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে আবারও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। বিবৃতিতে নেতারা সাজেকে ভ্রমণে থাকা পর্যটকদের আজকের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করার অনুরোধ জানান। অবরোধ চলাকালে জরুরি ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকদের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন নেতারা। বিবৃতিতে নেতারা এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান। আরটিভি/টিআর
বৃহস্পতিবার থেকে আবারও সাজেক সড়ক অবরোধের ঘোষণা
মাছের খামারে বিষ প্রয়োগে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ
চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় একটি মাছের খামারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারের মালিক মো. আবুল খায়ের। 
মাছের খামারে বিষ প্রয়োগে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ
হিমাগারের অভাবে শত বছরের কান্না থামছে না মঠবাড়িয়ার কৃষকদের
উর্বর মাটি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় বছরজুড়ে উৎপাদিত হয় নানা ধরনের কৃষিপণ্য। আলু, টমেটো, করলা, ভুট্টা, শিম ও বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন উপজেলার অনেক কৃষক। কিন্তু উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। বাজারে একসঙ্গে বেশি ফসল উঠলে দাম কমে যায়। তখন পচে যাওয়ার আশঙ্কায় উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হন কৃষকেরা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষিকাজ হলেও এখানে এখনো গড়ে ওঠেনি কোনো হিমাগার। কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবি, একটি হিমাগার স্থাপন করা হলে ফসল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করা যেত। এতে একদিকে কৃষিপণ্যের অপচয় কমত, অন্যদিকে ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। উপজেলার কৃষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মৌসুমে একসঙ্গে অনেক টমেটো বাজারে আসে। তখন প্রতি কেজি টমেটোর দাম পাঁচ টাকাও পাওয়া যায় না। অথচ ফসল উৎপাদনে খরচ হয় অনেক বেশি। হিমাগার থাকলে টমেটো সংরক্ষণ করে ১৫ থেকে ২০ দিন পর ভালো দামে বিক্রি করা যেত। এতে লোকসান এড়ানো সম্ভব হতো। হিমাগার না থাকায় আলুচাষিদেরও নানা সমস্যায় পড়তে হয়। স্থানীয়ভাবে বীজ আলু সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় প্রতিবছর অন্য জেলা থেকে চড়া দামে বীজ কিনতে হয় তাদের। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। পাশাপাশি বীজের জন্য বাইরের বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়। উপজেলার কৃষকেরা বলছেন, স্থানীয়ভাবে হিমাগার স্থাপন করা হলে নিজেদের উৎপাদিত আলুর একটি অংশ বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হতো। আবার বাজারে দাম কম থাকলে আলু সংরক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে বিক্রি করা যেত। এতে উৎপাদন খরচ সামাল দেওয়া এবং লোকসানের ঝুঁকি কমানোর সুযোগ তৈরি হতো। শুধু আলু নয়, টমেটোসহ বিভিন্ন সবজির ক্ষেত্রেও সংরক্ষণের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব পণ্য দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায় না। ফলে মৌসুমে সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে যায়। পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকেরা তখন কম দামেই পাইকারদের কাছে ফসল বিক্রি করেন। এতে উৎপাদনের পুরো খরচ তুলে আনাও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। কৃষকেরা মনে করেন, হিমাগার থাকলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ ও দাম বিবেচনা করে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমার পাশাপাশি কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগ পেতেন। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের অপচয় কমত এবং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিও আরও গতিশীল হতো। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, মঠবাড়িয়ায় কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্রুত হিমাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের মতে, সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মৌসুমে কম দামে ফসল বিক্রির চাপ কমবে। কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাওয়ার সুযোগও পাবেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুন নেছা সুমি বলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলায় সরকারিভাবে কোনো হিমাগার নেই। অথচ এ অঞ্চলে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার অত্যন্ত জরুরি। উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে রবিশস্যসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। কিন্তু সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকেরা অনেক সময় তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। শুধু উপজেলা পর্যায়ে নয়, প্রতিটি ইউনিয়নে ছোট আকারের মিনি হিমাগার স্থাপন করা হলেও তা কৃষকদের জন্য উপকারী হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
হিমাগারের অভাবে শত বছরের কান্না থামছে না মঠবাড়িয়ার কৃষকদের
পাইকগাছায় এক বছরে ৬৩ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৮
খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় গত এক বছরে ছোট-বড় ৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪৯ জন। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, চালকদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়কে তদারকির অভাবকে দায়ী করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দক্ষিণ অঞ্চল পাইকগাছা শাখা।
পাইকগাছায় এক বছরে ৬৩ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৮
মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় গাজীপুরের টঙ্গীতে মাছের প্রজেক্টের আশপাশের এলাকায় এক বিএনপি নেতাকে চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
আরও পড়ুন
জামায়াত মানুষকে যে পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত: রাশেদ খাঁন
ইশরাকের পদত্যাগ সাংবিধানিক, আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল
হাজার ডিসেম্বর চলে যাবে, হাসিনা ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে গিয়েই প্রতিবেশীদের ‘চোখ কপালে’